প্রেমে পড়লে প্রেমিকাকে উপহার দিয়ে প্রোপোজ করে পুরুষ পেঙ্গুইন, উপহারটা দারুণ মজার
বরফের রাজত্বে পেঙ্গুইন তো সকলেই দেখেছেন। কুমেরুতে পেঙ্গুইনদের কলোনি দেখে অনেকেই আনন্দ পান। এই পেঙ্গুইনরা কিন্তু প্রেমে পড়ে। প্রেমিকাকে উপহারও দেয়।
অনন্ত বরফের দেশে পেঙ্গুইনের নিশ্চিন্ত বাস। তারা সেখানে দলবেঁধে বসবাস করে। নিজেদের মত করে জীবন কাটায়। পেঙ্গুইনরা আবার প্রেমেও পড়ে। কোনও স্ত্রী পেঙ্গুইনকে পছন্দ হলে পুরুষ পেঙ্গুইন ওই স্ত্রী পেঙ্গুইনকে প্রোপোজ করে।
অনেকটা রূপকথার মত মনে হলেও এটাই ঘটে। জেন্টু নামে পেঙ্গুইনদের মধ্যে একটি প্রকার রয়েছে, যাদের মধ্যেই এই প্রোপোজের চল অত্যন্ত বেশি।
প্রেমিকাকে প্রেম নিবেদন তো আর খালি হাতে হয়না! মানুষ তো আংটি নিয়ে প্রেমিকাকে প্রোপোজ করে। কিন্তু পেঙ্গুইনরা তো আর আংটি দিতে পারেনা। তবে উপহার অবশ্যই সঙ্গে রাখে। নাহলে প্রোপোজ কিসের!
পুরুষ পেঙ্গুইন যা দিয়ে প্রোপোজটা করে তা বেশ মজাদার। কোনও স্ত্রী পেঙ্গুইনকে পছন্দ করে পুরুষ পেঙ্গুইন তার কাছে হাজির হয়। তারপর একটি অতি মসৃণ নুড়ি পাথর তাকে উপহার দেয়।
পাথরটি সহজলভ্য হলে চলবে না। অনেক খুঁজে এমন অতি মসৃণ চকচকে পাথর খুঁজে আনে পুরুষ পেঙ্গুইন। এই সুন্দর একটি নুড়ি পাথর প্রেমিকাকে উপহার দিয়ে সে প্রেম নিবেদন করে। এটাই পেঙ্গুইনদের রীতি।
কিন্তু পুরুষ তো উপহার দিয়ে প্রোপোজ করল। স্ত্রী পেঙ্গুইন কি তা গ্রহণ করে? পুরুষ পেঙ্গুইন সাধারণত নুড়িটি এনে স্ত্রী পেঙ্গুইনের পায়ের কাছে রাখে। যদি ওই স্ত্রী পেঙ্গুইন রাজি থাকে তাহলে সে ওই নুড়ি কুড়িয়ে নিয়ে তার বাসায় রাখে। যদি সে নুড়িটি গ্রহণ করে তার বাসায় রাখে তাহলেই পুরুষ পেঙ্গুইন বুঝে যায় তার প্রেম নিবেদন সার্থক।
মানুষ অনেক প্রাণিকেই দেখে। কিন্তু তাদেরও যে সমাজ আছে, সেখানেও যে কিছু রীতি রেওয়াজ আছে, তা হয়তো অনেকেই খবর রাখেন না। যেমন পেঙ্গুইনদের এই প্রেম।

