Feature

এদেশেই বয়ে চলেছে দুধ নদী, সেই আবার গুপ্তগামিনী, অবাক করে এই আশ্চর্য নদী

এদেশের বুক দিয়ে বয়ে চলেছে দুধ নদী। সেই নদীর পরিচিতি অতটা না থাকলেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। এ নদী আবার গুপ্তগামিনী নামেও পরিচিত। তারও কারণ আছে।

গঙ্গা, যমুনা, গোদাবরী, নর্মদার মত বিখ্যাত নয়, তবে এ নদীর কথা শুনলে মনে হতেই পারে কেন নয়? এ হল ভারতের একমাত্র দুধ নদী। যার জল কিঞ্চিত মিষ্টি হয়। আবার জলের ওপর সূর্যের আলো পড়লে সাদা ধবধবে একটা চেহারা নেয়।

এমন মনে হতেই পারে যে এতো চোখের ভ্রম। কিন্তু তা নয়। সত্যিই সাদা রংয়ের হয়ে ওঠে নদীটি। এর কারণ নদীর সাদা বালি। সাদা বালির কারণে এ নদীর জলে সূর্যের আলো পড়লে সাদা দুধের মত মনে হয়।

আবার এই নদীর জলে চুন ও ক্যালসিয়ামের প্রভাব থাকায় এর জল কিঞ্চিত মিষ্টি হয়। পরিস্কারও হয়। নদীটি দক্ষিণ ভারতে অবস্থিত। কর্ণাটকের নন্দি পর্বতমালা থেকে জন্ম নেওয়া এই নদীর নাম পালার নদী। পালার কথাটা এসেছে তামিল শব্দ পাল অর্থাৎ দুধ এবং আরু মানে নদী থেকে। পালার নদীর আরও একটি নাম রয়েছে। তা হল গুপ্তগামিনী।

কেন এ নদীর নাম গুপ্তগামিনী? এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই নদী প্রধানত বর্ষার জলে পুষ্ট। যে সময় এ নদীর জল শুকিয়ে যায় তখন তার সাদা বালির ওপর দিয়ে হেঁটে এপার ওপার করতে পারেন সাধারণ মানুষ।

কিন্তু ওপর থেকে শুকনো মনে হলেও এ নদী শুকিয়ে যায়না। তা তার ওই সাদা বালির চড়ার তলা দিয়ে বয়ে চলে। সেখানে কিন্তু জল থাকে। তা বইতেও থাকে। কেবল দেখা যায়না। তাই এই নদীকে গুপ্তগামিনী বলে ডাকা হয়।

পালার নদীটি কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ুর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। তবে তার আগে খরা প্রবণ এলাকায় জলের সমস্যা মেটানো থেকে অনেক শহর গ্রামকে তার জল দিয়ে সজীব রেখেছে এই নদী।

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *