যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে হিমসিম খাচ্ছে পাকিস্তানের বুড়ো রেল
রেলপথে যাত্রীদের দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দিতে কার্যত হিমসিম খাচ্ছে পাকিস্তান। ধুঁকতে থাকা পাক রেলের হাল বেহাল।
অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত পাকিস্তান এবার তাদের দেশের মানুষকে রেলপথে গন্তব্যে পৌঁছে দিতেও হিমসিম খাচ্ছে। নেই এর তালিকা লম্বা হচ্ছে। পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ রেলপথের ওপর ভরসা হারাচ্ছেন। বিষয়টি ক্রমে জটিল আকার নিচ্ছে। আর তার অন্যতম কারণ বার্ধক্য।
বুড়ো হয়েছে পাকিস্তানের রেল। তার ইঞ্জিন। তার রেলের কামরা। এমন সব ইঞ্জিন এখনও চলছে যেগুলির বয়স ২০ বছরের বেশি। কলকব্জা পুরনো হতে হতে এখন কথায় কথায় বসে যাচ্ছে। ফলে ইঞ্জিন স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে মাঝপথেই। যার জেরে ভোগান্তি হচ্ছে সে দেশের সাধারণ মানুষের।
শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরা যে কটি ছিল তার বেশিরভাগই কাজ করেনা। ফলে সেগুলি বদলানো জরুরি। কিন্তু সে টাকার যোগান নেই। এমনকি পাকিস্তানের রেলপথে যাত্রীভার সামাল দিতে যে সংখ্যক কামরা দরকার সেটাও পর্যাপ্ত পরিমাণে অমিল। পাকিস্তানের বুড়ো রেল তাই ক্রমশ যাত্রীদের পরিষেবা দিতে মুখ থুবড়ে পড়ছে।
পুরো ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজন রয়েছে বলে সে দেশের সরকারের কাছেও আর্জি গেছে রেল বিভাগের তরফ থেকে। অন্তত তেমনই পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ।
কামরাগুলির উন্নতি করা দরকার, ইঞ্জিনের মেরামতি সহ নতুন ইঞ্জিন দরকার, দরকার সার্বিক রেল পরিষেবা উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দ। কিন্তু তার দেখা নেই।
আর্থিক ধাক্কা সামাল দিতেই নাজেহাল পাকিস্তান রেল পরিষেবা উন্নতিতে তাই অর্থের যোগান এখনও সেভাবে দিয়ে উঠতে পারছেনা। যার ফল ভুগছেন পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













