দেহ সৎকারের ১০ দিন পর মেয়ের কাছে ফিরে এলেন সেই ব্যক্তি, চমকে গেল পরিবার

এ যেন ভূত দেখা। এমনভাবেই প্রাথমিকভাবে নিয়েছিলেন পরিবারের সকলে। সৎকারের ১০ দিন পর মেয়ের বাড়িতে হাজির সৎকার হওয়া ব্যক্তি। তাহলে মাটির তলায় কাকে রাখা হল?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মিত চিত্রে ভারতের গ্রাম, প্রতীকী ছবি

একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের সকলে জানতেন তিনি বিয়েবাড়িতে গেছেন। কিন্তু সেখানে তিনি যাননি। সে খবর পাওয়ার পর খোঁজ শুরু হয়। কিন্তু বাড়ির ওই সদস্যকে কোথাও পাওয়া যায়নি।

অগত্যা একটা সময়ের পর পুলিশের কাছে বিষয়টি জানানো হয় পরিবারের তরফ থেকে। পুলিশও খোঁজ শুরু করে। ২ দিন পর একটি দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারকে দেহ শনাক্তকরণের জন্য ডাকাও হয়।

হাসপাতালে হাজির হয়ে দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিজনরা। বাড়ির হারিয়ে যাওয়া মানুষটিই যে ওই পরলোকগত ব্যক্তি তা নিশ্চিত করেন তাঁরা। নিয়ম মেনে এরপর দেহ তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে।

ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা ওই আদিবাসী পরিবারের তরফে তাদের পারম্পরিক সৎকার প্রথা মেনে দেহ যাবতীয় নিয়ম মেনে মাটির তলায় রেখে মাটি চাপা দিয়ে দেওয়া হয়।

পরিবারের সকলের মন তখনও ভারাক্রান্ত। এরমধ্যে ১০ দিন অতিবাহিত হয়েছে। আচমকা তাঁরা কার্যত ভূত দেখার মত চমকে ওঠেন। ওই ব্যক্তি ফিরে এসেছেন। ফিরেছেন তাঁর মেয়ের বাড়িতে। তিনি বেঁচে আছেন। বহাল তবিয়তে আছেন।

তিনি নিজেই পরিবারের সকলকে জানান কাউকে তিনি জানাতে পারেননি ঠিকই, তবে তিনি রামগড় নামে একটি জায়গায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই ফিরেছেন।

এই চমক থেকে বেরিয়ে আসার অপেক্ষা। তারপরই পরিবারের চিন্তার ভাঁজ আরও পুরু হয়। যদি ওই মানুষটি বেঁচে আছেন, তাহলে যাঁর দেহ সৎকার করা হল তিনি কে?

দ্রুত বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। প্রায় একরকম দেখতে হওয়ায় পরিবারের তরফে যে ভুলটা হয়েছে তা পরিস্কার হয়ে যায়। আপাতত ওই দেহ ফের উদ্ধার করে তা কার তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।