বাংলার ধার ঘেঁষা মন্দিরের মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হল ১৮টি প্রাচীন দুষ্প্রাপ্য পুঁথি

এই খোঁজকে একটা মাইলফলক সাফল্য হিসাবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞেরা। বাংলার ধার ঘেঁষা মন্দির থেকে উদ্ধার হল ১৮টি প্রাচীন দুষ্প্রাপ্য পুঁথি।

মন্দিরের মাটির তলা থেকে উদ্ধার হওয়া পুঁথি, ছবি – সৌজন্যে – এক্স – @DMNawada

১৮৮৩ সালে বিহারের নওয়াদা জেলার চণ্ডীপুর গ্রামে তৈরি হয় শ্রী ঠাকুর রাধারমণ লালজি মন্দির। এই মন্দিরেই খোঁজ চালিয়ে উদ্ধার হল বহু প্রাচীন ১৮টি পুঁথি। যা কার্যত ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতির ধারক। এর ঐতিহাসিক গুরুত্বও যথেষ্ট।

হাতে লেখা এবং ব্লক প্রিন্টের এই ম্যানুস্ক্রিপ্ট বা পুঁথিগুলি জ্ঞান ভারতম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তুলে দেওয়া হয়েছে। ভারত জুড়ে নানা প্রান্তে এমন প্রাচীন পুঁথি ছড়িয়ে আছে। যার অনেকগুলি তাল পাতায় লেখা, কিছু অন্য পাতাতেও লেখা, কিছু কাপড়ের ওপর লেখা আবার কিছু লেখা হয়েছে ভূর্জপত্রে।

এগুলি উদ্ধার করে তা ডিজিটাইজ করার কাজ হচ্ছে জ্ঞান ভারতম প্ল্যাটফর্মে। আয়ুর্বেদ ও পারম্পরিক ঔষধি নিয়ে এর অনেক পুঁথিতেই বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। যা ভারতের প্রাচীন চিকিৎসাশাস্ত্রকে পৃথিবীর সামনে তুলে ধরে। শুধু চিকিৎসাশাস্ত্র বলেই নয়, এসব পুঁথিতে আরও নানা বিষয় নিয়ে লেখা পাওয়া যায়। যা ভারতের জ্ঞান চর্চা ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে তুলে ধরে।

এই সব পুঁথি একটি বিশেষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একত্র করার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। যা আগামী দিনে গবেষক ও সাধারণ মানুষের এই বিষয়ে জানার পথ অনেকটাই সুগম করে দেবে।

ভারতের এই প্রাচীন সব পুঁথি যেহেতু দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে আছে, অনেক প্রত্যন্ত এলাকাতেও এর খোঁজ পাওয়া যায়, তাই এগুলি খুঁজে পেতে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছে সরকার।

এমন পুঁথি সম্বন্ধে জানতে পারলে সেকথা সরকারের নজরে আনার আবেদন জানিয়েছে তারা। যা দেশের প্রাচীন ঐতিহ্যকে সংরক্ষিত করার কাজে অনেকটাই সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা