বৈশাখী স্নানে দেশের পবিত্র শহরে ভক্তের ঢল, তিল ধারণের জায়গা নেই

বৈশাখী স্নানকে সামনে রেখে দেশের অন্যতম পবিত্র শহরে উপচে পড়ছে ভক্তের ভিড়। দেশের নানা প্রান্ত থেকে হাজির মানুষজন। একদিন আগে থেকেই শুরু বৈশাখী স্নান।

হরিদ্বারে হর কি পৌরি ঘাটে পুণ্যস্নান, ছবি - আইএএনএস

ভারতে পুণ্য তিথিতে নদীতে স্নান এক প্রাচীন পরম্পরা। আর সেই স্নান যদি গঙ্গা নদীতে হয় তাহলে তো কথাই নেই। দেশের পবিত্র নদীর জল স্পর্শ করতে পারাই ভক্তদের কাছে পরম প্রাপ্তি। তাই গঙ্গাকে ছুঁয়ে দেখতে গঙ্গার দরজায় হাজির অসংখ্য মানুষ।

গঙ্গার দরজা বলে খ্যাত হরিদ্বারে বৈশাখী স্নান উপলক্ষে এখন তিল ধারণের জায়গা নেই। বৈশাখী মঙ্গলবার হলেও সোমবার থেকেই হরিদ্বারে পবিত্র বৈশাখী স্নানে মেতে উঠেছেন ভক্তেরা।

গঙ্গার হিমশীতল জলে স্নান করতে দিনভর হরিদ্বারের হর কি পৌরি থেকে অন্যান্য ঘাটে ভক্তের ঢল নেমেছে। হরিদ্বার শহরে সোমবার থেকেই বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেছেন।

ফলে শহর জুড়ে এখন তিল ধারণের জায়গা পাওয়া যাচ্ছেনা। গঙ্গায় স্নান শুধু নয়, গঙ্গার ঘাটে চলছে শাস্ত্রীয় আচার, মন্ত্রোচ্চারণ। পরিবারের সুখ শান্তি কামনায় গঙ্গা স্নান করে পুজো অর্চনা করছেন ভক্তেরা।

হরিদ্বারে এত ভক্তের সমাগমে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে যায় সেদিকে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। সিসিটিভি থেকে শুরু করে উন্নত আধুনিক নজরদারির বন্দোবস্ত করা হয়েছে শহর জুড়ে।

বৈশাখী হল প্রধানত ফসল ঘরে তোলার উৎসব। ভারতে বৈশাখীর সাংস্কৃতিক ও পারম্পরিক ঐতিহ্য প্রশ্নাতীত। এ সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সৌর নববর্ষ পালিত হয়। বাংলায় মঙ্গলবার চৈত্রসংক্রান্তি। চৈত্রের অবসান। একটি বছরের অবসান। বুধবার শুরু নতুন বছর, বাংলা নববর্ষ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা