রোড টু ইনফিনিটি, খুলতে চলেছে দেশের অন্তবিহীন পথ, এক আশ্চর্য রাস্তা
দেশের মাটিতেই তৈরি হল অন্তবিহীন পথ। মানে যার শেষ নেই। নামটা তাই দেওয়া হয়েছে। রোড টু ইনফিনিটি। যা একটা গোটা অঞ্চলের চেহারা বদলে দিতে চলেছে।
রোড টু ইনফিনিটি। যে পথের শেষ নেই। এক অন্তহীন যাত্রা। সেই যাত্রার সাক্ষী হতে আর কিছু সময়ের অপেক্ষা। তারপরেই খুলে যাবে দেশের এই রোড টু ইনফিনিটি। কখনও সমুদ্র তো কখনও সাদা মরুভূমির বুক চিরে এই পথ এগিয়ে যাবে। পৌঁছে যাবে একদম সীমান্তের ধারে।
এই পথ তৈরি শেষ হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। ২২ কিলোমিটারের এই পথ এখন খোলার অপেক্ষায়। কচ্ছের রণের ওপর দিয়ে তৈরি হওয়া এই অভিনব পথ এখানকার খাদির বেট-এর ১২টি গ্রামের মানুষের জীবন বদলে দিতে চলেছে। আর সেকথা তাঁরা নিজেরাই মেনে নিচ্ছেন। গত ৫০ বছর ধরে তাঁদের এমনই একটি পথের দাবি ছিল।
এই পথ যেমন ১২টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগকে অনেকটা সহজ করে দিল, তেমনই পর্যটকদের জন্যও এই পথ এক অনন্য উপহার হতে চলেছে। এখানেই রয়েছে হনুমান বেট। যেখানে রয়েছে রণেশ্বর হনুমান মন্দির। সেখানে পৌঁছতে ভক্ত ও পর্যটকদের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয়।
কিন্তু রোড টু ইনফিনিটি তাঁদের এই মন্দিরে অনায়াসে পৌঁছে দেওয়ার পথ খুলে দেবে। আবার ভারতীয় সেনার জন্যও এই রাস্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ এই পথ ধরে খুব সহজেই সীমান্তে পৌঁছে যেতে পারবে সেনা।
এই পথেই পড়ছে আরেক পর্যটন আকর্ষণ ফ্লেমিঙ্গো সিটি। এশিয়ার সর্ববৃহৎ ফ্লেমিঙ্গো পাখির প্রজনন ক্ষেত্র। শীত পড়লে এখানে হাজার হাজার ফ্লেমিঙ্গো পাখি হাজির হয়।
তখন এই জায়গার রূপ সম্পূর্ণ বদলে যায়। এদের দেখতে পর্যটকরাও ভিড় জমান। তবে তাঁদের এখন এখানে পৌঁছতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। রোড টু ইনফিনিটি এখানে পৌঁছে দেবে অনায়াসে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













