সবুজের মাঝে ছাড়া হল ৬টি শকুন, জিপিএস লাগিয়ে বিশেষ কারণে ছাড়া হল তাদের
৬টি শকুন ছাড়া হল। বন দফতরের উদ্যোগেই ছাড়া হয়েছে তাদের। পিছনে রয়েছে বিশেষ কারণ। প্রতিটি শকুনের গায়ে লাগানো আছে জিপিএস।
৬টি শকুন ছাড়া হল সবুজ অরণ্যের মাঝে। শকুনেরও নানা প্রজাতি রয়েছে। তারই একটি প্রজাতি হল হোয়াইট রাম্পড ভালচার। এই শকুনদের পশ্চাৎদেশ সাদা হয়। সবচেয়ে বড় কথা হল এই প্রজাতির শকুন হল অতি বিরল। যারা প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে পৃথিবী থেকে।
প্রসঙ্গত গোটা এশিয়া থেকেই শকুন হারিয়ে যেতে বসেছে। ক্রমশ কমছে শকুনের সংখ্যা। এর একটি কারণ পশুদের ওষুধ। যা শকুনদের ক্ষেত্রে মোটেও সদর্থক ভূমিকা নিচ্ছে না।
অসমের কামরূপ জেলার রানি রেঞ্জে রয়েছে একটি পক্ষীরালয়। এখানে শকুনদের বিশেষভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লক্ষ্য একটাই। শকুনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। বিরল প্রজাতির শকুনদের নিশ্চিন্ত বাসের ব্যবস্থা করে দেওয়া। সেই লক্ষ্যেই অসমের বন দফতর এই ৬টি শকুন এখানে ছেড়ে দিয়েছে।
এই শকুনদের কেবল ছেড়ে দেওয়া নয়, তাদের গতিবিধির ওপর সর্বদা নজর রাখতে তাদের শরীরে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে একটি জিপিএস। যাতে তারা কোথায় থাকছে, কোথায় যাচ্ছে সব জানতে পারা যায়।
এভাবে ১০টি শকুন ছাড়া হল। আরও শকুন আগামী দিনে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি পশুদের যে ওষুধ থেকে শকুনদের ক্ষতি হচ্ছে তা কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অসমের বন দফতর।
যেসব পশুর জীবন শেষ হচ্ছে, তাদের দেহ খাওয়ার ফলে তাদের দেহে থাকা ওষুধের অংশ শকুনদের পেটেও যাচ্ছে। যা তাদের শরীরের ক্ষতি করছে। অকালেই কেড়ে নিচ্ছে জীবন। এটাই নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













