গরমে পুড়ছে দেশের একাংশ, এরমধ্যেই বরফে ঢেকে গেল ৫ জেলা
পারদ চড়ছে। দেশের পশ্চিমাংশে তো পারদ ৪০ ডিগ্রি পার করেছে। অন্যান্য জায়গাতেও উর্ধ্বমুখী দহনজ্বালা। এর মাঝেই ৫ জেলা ঢেকে গেল বরফের চাদরে।
মার্চ মাসেই রাজস্থান থেকে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশ জুড়ে পারদ চড়ছে। পারদ চড়ছে গুজরাট থেকে দিল্লি সর্বত্র। পশ্চিমবঙ্গে কয়েকদিন আকাশে মেঘের আস্তরণ থাকলেও বেলা বাড়লে মাথায় বিন্দু বিন্দু ঘাম জমছে। আবহাওয়া দফতর বলছে পারদ এবার চড়তে থাকবে।
গোটা দেশ যখন গরমের সঙ্গে যুঝতে নিজেদের মানসিকভাবে তৈরি রাখছে, সেখানে ভারতের এক অংশের ৫ জেলা ঢেকে গেল বরফের চাদরে। জম্মু কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত হয়েছে।
কিস্তওয়ার, গান্ডেরবল, অনন্তনাগ, কুপওয়ারা এবং বান্দিপোরা বরফে ঢেকে গেছে। এবার কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসে অস্বাভাবিক গরম দেখেছে জম্মু কাশ্মীর। এমন অসময়ে পারদ চড়ার কারণে অসময়েই কাশ্মীরের আপেল, কাঠবাদাম, নাসপাতি এবং অন্যান্য ফল গাছে ফুল ধরে। যখন ধরার কথা তার অনেক আগেই এই ফুল ধরার ঘটনা ঘটেছে।
অসময়ে গরমের পর আবার নতুন করে তুষারপাত শুরু হয়েছে জম্মু কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায়। আবার অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকায় তুষারপাত না হলেও বৃষ্টি হয়েছে। ফলে কৃষকদের সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।
আগামী ১৫ থেকে ২০ মার্চ হালকা তুষারপাত ও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিকে এবার শীতকাল জুড়েই জম্মু কাশ্মীরে তুষারপাত কম হয়েছে। শুকনো ঠান্ডা বিরাজ করেছে। সেখানকার বাসিন্দারা তাই প্রমাদ গুনছেন।
কারণ জম্মু কাশ্মীরে শীতের দিনে কম তুষারপাত মানেই শুকনো গরম। জলের চরম অভাব। পানীয় জল থেকে কৃষিকাজে প্রয়োজনীয় জল এবার গরমকালে কতটা পাওয়া যাবে তা নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন ভূস্বর্গের কৃষক থেকে সাধারণ মানুষ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













