বিয়ের মণ্ডপ ছেড়ে সন্ন্যাসী হতে কাশী যাত্রা করেন বর, পথ আটকান কনের বাবা ও ভাই
বিয়ে করতে আসেন বটে, তবে মাঝপথেই বর বিয়ে ছেড়ে কাশী যাত্রা করেন। লক্ষ্য সন্ন্যাসী হওয়া। ছুটে এসে পথ আটকান কনের বাবা ও ভাই।
বিয়ে করে বৈবাহিক ও সাংসারিক জীবন যাপন আর সন্ন্যাস জীবনে বিস্তর ফারাক। অনেকেই এই দুইয়ের মধ্যে একটিকে বেছে নেন। কিন্তু বিয়ে করতে কনের বাড়িতে পৌঁছে, বিয়ের মণ্ডপে পৌঁছে যদি বর বলেন তিনি আর বিয়ে করতে চান না, তিনি সন্ন্যাসী হবেন! কাশী যাবেন।
শুধু বলা নয়, অতি সাধারণ পোশাক পরে হাতে একটি লাঠি, ছাতা, বাঁশের তৈরি হাত পাখা, কাঁধে ঝোলায় চাল আর নারকেল নিয়ে রওনা দেন, তাহলে তো তাঁর পথ আটকাতেই হয়। তাহলে কনের বিয়ের কি হবে!
বরের এই মতিগতি বদল দেখে ছুটে আসেন কনের বাবা ও ভাই। তাঁরা বরের পথ আটকান। তাঁকে কাশী গিয়ে সন্ন্যাস নেওয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে এসে বিয়ে করতে অনুরোধ করেন।
এখনও তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের অনেক জায়গায় ব্রাহ্মণ পরিবারের বিয়েতে এই আশ্চর্য প্রথা চলে আসছে। এখন এটা বিয়ের একটা পারম্পরিক প্রথা হিসাবে অনুষ্ঠিত হয়। পুরোটাই মজার ছলে হয়। এটাও বিয়ের একটা আনন্দ।
বর একটা ছদ্ম কাশীবাসী হওয়ার মনস্থির দেখান। সন্ন্যাসী হতে বরের পোশাক ছেড়ে সাধারণ পোশাকে হাতে লাঠি নিয়ে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন।
কিন্তু কনের বাবা ও ভাই এসে পথ আটকে তাঁকে বিয়ের পিঁড়িতে বসান। পুরোটাই মজা। তবে এও ভারতের এক প্রান্তের এক মজা হলেও পারম্পরিক প্রথা হিসাবে আজও পালিত হয়।













