সাড়ে ৩ বছরে শূন্য থেকে ৩৮-এ চিতা, ৩ এগিয়ে দিল গামিনী
২০২২ সালের সেপ্টেম্বরেও ভারতে চিতার সংখ্যা ছিল শূন্য। যাকে চিতা বলে অনেকে ভুল করতেন সেগুলি ছিল লেপার্ড। অন্য প্রজাতি। সেখান থেকে এখন ৩৮ ছুঁল চিতা।
ভারত এমন এক দেশ যেখানে চিতার দেখা পাওয়া যেত না। চিতা বলে যে বিশেষ প্রজাতির বাঘকে চিহ্নিত করা হত, সেগুলি লেপার্ড। চিতা ও লেপার্ড এক নয়। চিতা শূন্য ভারতে চিতার সংখ্যা বৃদ্ধি করতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে আফ্রিকা থেকে ভারতে চিতা নিয়ে আসা হয়।
লক্ষ্য ছিল ভারতেও চিতার পাদচারণা। চ্যালেঞ্জও ছিল। কারণ ভারতের আবহাওয়া আর আফ্রিকার আবহাওয়া এক নয়। তবু সবদিক সামলে মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে চিতাগুলিকে ছাড়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ ছিল এই চিতা প্রকল্পের পিছনে।
কুনোতে আফ্রিকার চিতারা মানিয়ে নিতে সময় নেয়। একাধিক চিতার প্রাণও যায়। কিন্তু সময়ের সাথে তারা কুনোর জঙ্গলের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। এখন তারা সেখানে নিশ্চিন্তে বসবাস করে। সন্তানও প্রসব করে।
ফলে কুনোতে চিতার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি গামিনী নামে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আনা একটি স্ত্রী চিতা ৩টি শাবকের জন্ম দিয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্গে মাত্র সাড়ে ৩ বছরে এখন কুনোয় চিতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮টি।
এর কিছুদিন আগেই নামিবিয়া থেকে আনা স্ত্রী চিতা আশা ৫টি শাবকের জন্ম দিয়েছিল। গামিনীকে নিয়ে নবম চিতা প্রসবের সাক্ষী হল ভারত।
এখন এই শাবক চিতাদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা এবং আগামী দিনে আরও চিতা প্রসব, ভারতে চিতার সংখ্যা আরও বাড়াতে সাহায্য করবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













