রাতে শুতে যাওয়া তরুণী সকালে উধাও, বিছানায় পড়ে তাঁর পোশাক ও একটি সাপের খোলস
রাতে যেমন শুতে যান তেমনই শুতে গিয়েছিলেন তরুণী। সকালে তাঁকে তাঁর মা ডাকতে গিয়ে চমকে ওঠেন। বিছানায় মেয়ে নেই। পড়ে আছে তাঁর পোশাক এবং সাপের খোলস।
এ ঘটনা যে কোনও টানটান সিনেমাকে হার মানাতে পারে। শিহরণ জাগাতে পারে। গত রবিবার রাতে যেমন নিজের ঘরে শুতে যাওয়ার তেমনই শুতে গিয়েছিলেন বছর ২০-র এক তরুণী। সকাল হলে তাঁকে ডাকতে যান তাঁর মা। কিন্তু ঘরে ঢুকে আঁতকে ওঠেন তিনি।
দেখেন বিছানায় মেয়ে নেই। পড়ে আছে কেবল মেয়ের পরনের পোশাক। তাছাড়া মেয়ের গায়ে থাকা গয়নাও বিছানার ওপর ইতস্তত ভাবে ছড়িয়ে আছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি যেটা অবাক করে সেটা হল একটি সাপের খোলস।
মেয়ের পোশাক এবং গয়নার ওপর একটি সাপের খোলস পড়ে ছিল। যা দেখার পর পরিবারের হাড় হিম হয়ে যায়। খবর ছড়াতে সময় নেয়নি। গ্রামে দ্রুত ইচ্ছাধারী নাগিন-এর জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় কানাঘুষো।
তরুণী কি সাপে রূপান্তরিত হয়েছেন? শুনতে সিনেমার প্লট বা গল্পের বইয়ের পাতার মনগড়া কাহিনি বলে মনে হলেও এ প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়ে উত্তরপ্রদেশের ঔরেয়া জেলার ওই গ্রাম ও তার আশপাশের এলাকায়।
পরিবারের তরফ থেকে পুলিশে বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ মেয়েটিকে খুঁজতে তদন্তে নামে। তাঁর খোঁজ না পাওয়া গেলেও পুলিশ এই সাপে রূপান্তরিত হওয়ার কাহিনি মানতে নারাজ। এসব মনগড়া গল্পে কাউকে কান না দেওয়ার পরামর্শও দিয়েছে তারা।
পুলিশের অনুমান কেউ বা কারা পুরো ঘটনাকে অন্য ভাবে দেখাতে এগুলো সাজিয়ে রেখেছিল। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে গেলেও এলাকা জুড়ে ইচ্ছাধারী নাগিন-এর জল্পনায় জল ঢালা যাচ্ছেনা। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়েও এই ঘটনা নিয়ে মানুষের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়েছে।













