National

বাঘে লাফ, ১৬ বছরে বাঘের সংসারের নজরকাড়া ভোলবদল

বন্যপ্রাণের বৈচিত্র্য এই রাজ্যের বিশেষত্ব। প্রচুর সবুজ। তেমনই অফুরান জলাশয়। নদীও বয়ে গেছে। সেখানেই মাত্র ১৬ বছরের ব্যবধানে বাঘের সংসারে নজরকাড়া ভোলবদল।

নজরদারি বাড়ানো, জঙ্গলে ঘুরে সবদিকে কড়া নজর রাখা, গোয়েন্দা তথ্যে গুরুত্ব বাড়ানো, জঙ্গলে লুকোনো ক্যামেরা বাড়িয়ে দেওয়া, ড্রোন সহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, চোরাশিকারি দমনে যথেষ্ট পদক্ষেপ এবং বন দফতর ও সুরক্ষা সংস্থাগুলির মধ্যে সুন্দর বোঝাপড়া। এ সবই অসমের জঙ্গলে বন্যপ্রাণিদের নিশ্চিন্তবাস সুরক্ষিত করেছে।

কাজিরাঙার জঙ্গল যেমন বিখ্যাত একশৃঙ্গ গণ্ডারের জন্য তেমনই কিন্তু বাঘের জন্যও। অসমে ৪টি প্রধান অভয়ারণ্য রয়েছে। কাজিরাঙা, মানস, ওরাং এবং নামেরি। এই ৪টি জাতীয় উদ্যানে বন্যপ্রাণিদের বসবাস একের পর এক পদক্ষেপে নিশ্চিন্ত করার ফল এবার হাতেনাতে পাওয়া যাচ্ছে।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন অসমে বাঘের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৬ সালে যেখানে অসমে বাঘের সংখ্যা ছিল ৭০টি, সেখানে ২০২২ সালে সেই সংখ্যা ২২৭টিতে ঠেকে।

অর্থাৎ ৩ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি হয় সংখ্যায়। বাঘের সংসারের এই ভোলবদল সম্ভব হয় পরিকল্পিত উপায়ে তাদের প্রকৃতির বুকে নিশ্চিন্ত বাস সুরক্ষিত করার ফলে।

মানুষের সঙ্গে বন্যপ্রাণির সংঘর্ষ এড়াতে পারাটাও এই বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। সাধারণ মানুষকে সচেতন করা, তাঁদের মধ্যেও বন্যপ্রাণিদের সংরক্ষণ ভাবনার প্রসার পরিস্থিতি বদলাতে সাহায্য করেছে।

তাছাড়া অসমের জঙ্গলে চোরাশিকারিদের দৌরাত্ম্য কমাতে পারা কাজে এসেছে। সব মিলিয়ে অসমের জঙ্গলে কেবল একশৃঙ্গ গণ্ডার বলেই নয়, বাঘের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। তারা সেখানে নিশ্চিন্তে বাস করছে। অন্তত যে তথ্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী তুলে ধরলেন তা থেকে এটা পরিস্কার। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *