অতি পরিচিত শহরের ধারে বাঘের দেখা, হন্যে হয়ে খুঁজছে বন দফতর, তটস্থ স্থানীয়রা
অচেনা কোনও শহর নয়। দেশের অন্যতম পরিচিত শহর। আর তার ধারেই দেখা পাওয়া গেল বাঘের। জনবসতির ধারে বাঘের দেখা বন দফতরের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।
বাঘের দেখা পাওয়া গিয়েছে। তাকে জনবসতির পাশে ঘুরতেও দেখা গেছে। কিন্তু বন দফতর যখন তাকে পাকড়াও করতে হাজির হল তখন আর তার দেখা নেই। অগত্যা বন দফতরের কর্মীরা বাঘের খোঁজ পাওয়ার যাবতীয় উপায় কাজে লাগিয়ে ফেলেছেন।
ড্রোন ওড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাঘের দেখা নেই। যেন কর্পূরের মত উবে গেছে। অথচ চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা। শহরে ঢুকে যদি বাঘ হামলা চালায় তাহলে বড় ক্ষতি হতে পারে।
এদিকে গোটা শহরকে তো আর গৃহবন্দি করা যায়না! অগত্যা বন দফতর হন্যে হয়ে বাঘের খোঁজ পেতে চাইছে। কিন্তু সে বাঘ গেল কোথায়? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলার অন্যতম প্রধান শহর রাজামুন্দ্রি। সেই রাজামুন্দ্রি শহরের পাশেই বাঘের দেখা পাওয়া গেছে। পুনে থেকেও বিশেষজ্ঞদের আনা হয়েছে তাকে পাকড়াও করতে। কেশভরম পাহাড়ে সে লুকিয়ে থাকতে পারে ভেবে সেখানেও খোঁজ হয়েছে।
রাজামুন্দ্রি শহর লাগোয়া যে জনবসতি রয়েছে, সেখানে যে গ্রামগুলি রয়েছে সেখানেও সকলকে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ না বাঘকে পাকড়াও করা যাচ্ছে ততক্ষণ শান্তি পাচ্ছেন না বন দফতরের আধিকারিক থেকে কর্মীরা। কারণ জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বাঘ একবার হানা দিলে অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে।
প্রসঙ্গত রাজামুন্দ্রি শহরের আশপাশ থেকেই গত ৬ দিনে ৮ গৃহপালিত পশুর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। যে পথে বাঘ যাতায়াত করতে পারে, যেখানে যেখানে জল পান করতে আসতে পারে বা যেখানে সে ওই গৃহপালিত পশুদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, সেই সব জায়গায় লুকোনো ক্যামেরা বসিয়ে নজরদারি চলছে। স্থানীয়রাও বন দফতরের ওপর চাপ তৈরি করছেন যাতে বাঘকে দ্রুত ধরা সম্ভব হয়। নাহলে তাঁরা সুরক্ষিত বোধ করছেননা।













