National

খোঁজ পাওয়া গেল দেশের কোটিপতি ভিক্ষাজীবীর, রয়েছে একাধিক বাড়ি, গাড়ি, অটো

ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবনটা কোনওক্রমে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া মানুষ রাস্তায় বার হলেই দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু তাঁদের সকলেরই কি ভিক্ষাবৃত্তির প্রয়োজন রয়েছে, প্রশ্ন তুলে দিলেন দেশের কোটিপতি ভিক্ষাজীবী।

ভিক্ষা করে জীবন যাপন করা মানুষদের রাস্তার মোড়ে, ট্রেনের কামরায় দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু তাঁরা কি সত্যিই পথচলতি মানুষের দেওয়া কিছু ভিক্ষার ওপর নির্ভরশীল? এ প্রশ্ন মনে হয়তো অনেকের আসত না, যদিনা দেশের এই ধনীতম ভিক্ষাজীবীর কথা জানা যেত।

মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরকে ভিক্ষাজীবী মুক্ত করতে যে উদ্যোগ শুরু হয়েছিল তাতে শহরের ভিক্ষাজীবীদের খুঁজে বার করে তাঁদের অন্য পেশায় নিযুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। যাঁরা ভিক্ষাজীবীদের খুঁজে বার করছেন তাঁরা এমন এক ভিক্ষাজীবীর খোঁজ পান যিনি আদপে কোটিপতি।

ইন্দোর শহরেই তাঁর ৩টি বাড়ি রয়েছে। এছাড়া একটি ৬০০ বর্গফুটের থাকার জায়গা রয়েছে। রয়েছে একটি গাড়ি। রয়েছে ৩টি অটো। গাড়ি এবং অটো তিনি ভাড়ায় খাটান। তা থেকেও একটা টাকা ঘরে ওঠে। তবে তিনি তাঁর আদি পেশা ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়েননি।

মাঙ্গিলাল নামে ওই ভিক্ষাজীবী বিশেষভাবে সক্ষম। তিনি একটি লোহার চাকা দেওয়া কাঠের পাটাতনের ওপর বসে ভিক্ষা করেন ইন্দোরের সারাফা বাজার এলাকায়। সেখানে তিনি যে চাকা লাগানো পাটাতনের ওপর বসে থাকেন সেটি তিনি হাত দিয়ে টেনে নিয়ে এগোন।

মানুষ তাঁকে দেখে ভিক্ষাও দেন। কিন্তু সরকারি আধিকারিকরা তাঁর সম্পত্তি দেখে হতবাক হয়ে গেছেন। তাঁর রোজগার এবং তাঁর সম্পত্তির মধ্যে সামঞ্জস্য খোঁজার পালাও শুরু করেছেন তাঁরা।

এই বিপুল সম্পত্তি, টাকাকড়ির মালিক ভিক্ষাবৃত্তি কিন্তু ছাড়েননি। মাঙ্গিলালের এই কাহিনি দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তোলপাড় ফেলে দিয়েছে।

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *