জোড়া ফলায় আরও সাদা হতে চলেছে ভূস্বর্গ
জোড়া ফলার প্রভাব শুকনো শীতে যবনিকা টানতে চলেছে ভূস্বর্গে। যা বদলে দেবে ভূস্বর্গের চেহারা। আরও সাদা হয়ে যাবে পাহাড়, জমি, উপত্যকা।
জম্মু ও কাশ্মীরে এখন চলছে চিল্লাই কলন। বছরের সবচেয়ে কড়া ঠান্ডার মরসুম। ৪০ দিনের সেই অতি ঠান্ডার সময়কাল শেষ হচ্ছে ৩০ জানুয়ারি। তার আগে কাশ্মীরে টানা শুকনো ঠান্ডার প্রকোপ অব্যাহত।
পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট না থাকায় শুকনো ঠান্ডা কাঁপাচ্ছে উপত্যকাকে। কিন্তু চিল্লাই কলনের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে অবশেষে সেই রূপ বদলাতে চলেছে। এবার কাশ্মীর বরফের চাদরে মুড়তে চলেছে। ভিজতেও চলেছে। ঝোড়ো হাওয়ার ধাক্কাও সামলাতে হবে উপত্যকাবাসীকে।
কারণ ২২ জানুয়ারি থেকে জম্মু কাশ্মীরের চেহারা বদলে যাবে। ওই সময় একটি শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করতে চলেছে ভূস্বর্গে। যার প্রভাবে প্রচুর তুষারপাত হতে চলেছে। অনেক জায়গায় ভারী বৃষ্টিও হবে। সঙ্গে থাকবে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। ফলে ঠান্ডার অন্যই দাপট এবার শুরু হতে চলেছে।
২২ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রথম পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট থাকবে। সবচেয়ে বাড়বে ২৩ জানুয়ারি। পীরপাঞ্জাল রেঞ্জ ও চেনাব ভ্যালি প্রবল তুষারপাতের কবলে পড়বে। এছাড়া সাদা হয়ে যাবে সোনমার্গ, গুলমার্গ, পহেলগাম, সোপিয়ান, অনন্তনাগ, কিস্তওয়ার, রামবান সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। সঙ্গে থাকবে অনেক জায়গায় ভারী বৃষ্টি।
এখানেই শেষ নয়। ফের একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা প্রবেশ করবে ২৬ জানুয়ারি। যদিও সেটি প্রথমটির মত অতটা শক্তিশালী হবেনা। তবে তার জেরেও তুষারপাত ও বৃষ্টি হবে। ২৬ থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত এর প্রভাব থাকবে। ২৭ জানুয়ারি সবচেয়ে খারাপ হবে পরিস্থিতি।
চিল্লাই কলন শেষ হচ্ছে ৩০ জানুয়ারি। তার আগে আচমকাই বদলে যেতে চলেছে গোটা কাশ্মীর। বদলে যাবে তার রূপ। বদলে যাবে আবহাওয়ার ধরণ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













