হোটেলের ঘরে একসঙ্গে স্নান করছিলেন দম্পতি, আচমকাই ঘরে ঢোকেন হোটেলকর্মী
একটি বিলাসবহুল হোটেলের ঘরে স্নান করছিলেন দম্পতি। তাঁদের সেই একান্ত মুহুর্তে আচমকা ঘরে ঢোকেন এক হোটেলকর্মী। বড় ধাক্কা খেল হোটেল।
বিলাসবহুল হোটেলে খরচ সাপেক্ষ একটি ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন এক দম্পতি। হোটেলের ঘরে তাঁরা একান্তে সময় কাটাচ্ছিলেন। ২ জনে বাথরুমে একসঙ্গেই স্নান করতে ঢুকেছিলেন। ওই দম্পতির অভিযোগ, তাঁরা যখন ২ জনে বাথরুমে একান্ত ব্যক্তিগত মুহুর্ত কাটাচ্ছিলেন সেই সময় তাঁদের ঘরে হোটেলের মাস্টার কি বা হোটেলের কাছে থাকা ঘরের চাবি ব্যবহার করে ঢোকেন এক হোটেলকর্মী।
এমনকি দম্পতির অভিযোগ ঘরে ঢুকে ওই কর্মী বাথরুমে উঁকি দিয়ে তাঁদের দেখারও চেষ্টা করেন। চেন্নাইয়ের বাসিন্দা ওই দম্পতি এসেছিলেন উদয়পুরে। উদয়পুরের একটি বিলাসবহুল হোটেলে তাঁরা উঠেছিলেন। নাম লীলা প্যালেস।
সেই হোটেলের রিসেপশনে দ্রুত গিয়ে অভিযোগ করলেও হোটেল তাঁদের অভিযোগে কর্ণপাত করেনি বলেই অভিযোগ দম্পতির। ওই ঘরটির দৈনিক ভাড়া ৫৫ হাজার টাকা। সেখানে এমন এক ঘটনা ওই দম্পতিকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে।
বিষয়টি চেন্নাইয়ের ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে যায়। ভুক্তভোগী ব্যক্তিই ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। ক্রেতা সুরক্ষা আদালত সবদিক খতিয়ে দেখে হোটেল কর্তৃপক্ষকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করে। ওই দম্পতিকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।
এক্ষেত্রে হোটেলের ঘরে থাকা অতিথির গোপনীয়তা লঙ্ঘন হয়েছে বলেই জানায় আদালত। যদিও হোটেলের পাল্টা দাবি, ওই দম্পতি ঘরের বাইরে ডু নট ডিস্টার্ব বোর্ড ঝোলাননি। তবে হোটেলের সেই যুক্তি অগ্রাহ্য করে ক্রেতা সুরক্ষা আদালত।













