National

গণ্ডারের বিনিময়ে বাঘ, শঙ্খচূড়ের বিনিময়ে কুমির, ৩ বছরে হবে বাসা বদল

৩ বছরে নতুন ছোঁয়া লাগতে চলেছে ২ জঙ্গলে। সে স্পর্শ গণ্ডারের হতে পারে, বাঘের হতে পারে, শঙ্খচূড় সাপের হতে পারে আবার কুমিরেরও হতে পারে।

ভারতের একশৃঙ্গ গণ্ডার পৃথিবী বিখ্যাত। যার দেখা পাওয়া যায় অসমে। অসমের জঙ্গলে এদের অবাধ বিচরণ। শুধু কি গণ্ডার! অসমের জঙ্গল বিখ্যাত বন মহিষের জন্য। এরা জলেও সাবলীল। আর আছে বিষাক্ত শঙ্খচূড় সাপ। যাকে ইংরাজিতে কিং কোবরা বলা হয়ে থাকে।

এদের নিশ্চিন্ত আবাসস্থল অসমের জঙ্গল। কিন্তু অন্য জঙ্গলে এদের দেখা পাওয়া বড় একটা যায়না। যেমন মধ্যপ্রদেশের জঙ্গলে বাঘ সহজে পাওয়া গেলেও একশৃঙ্গ গণ্ডার নেই। নেই জলে সাবলীল বন মহিষ। এমনকি শঙ্খচূড় সাপও সেখানে গেলে জঙ্গল খুঁজে পাওয়া মুশকিল।

অন্যদিকে বাঘ হোক বা কুমির, অসমের জঙ্গলে জীব বৈচিত্র্য তৈরি করতে গেলে এদের দরকার। সে কথা মাথায় রেখে ২ রাজ্যের ২ মুখ্যমন্ত্রী নিজেদের মধ্যে বৈঠকে বসেন।

সেখানেই স্থির হয় মধ্যপ্রদেশ অসমকে ২টি বাঘ ও ৬টি মুগার কুমির দেবে। বিনিময়ে অসম দেবে ২টি একশৃঙ্গ গণ্ডার, ৫০টি বন মহিষ এবং ৩টি শঙ্খচূড় সাপ। এই পুরো বিনিময় ৩ বছরে সম্পূর্ণ হবে।

মধ্যপ্রদেশের জঙ্গলে বন মহিষ ১০০ বছরের বেশি সময় আগেই বিলুপ্ত হয়েছে। শঙ্খচূড়ও নেই। একশৃঙ্গ গণ্ডারও নেই। এই একশৃঙ্গ গণ্ডার ও শঙ্খচূড় সাপ মধ্যপ্রদেশের ভোপালের বন বিহার জাতীয় উদ্যানে রাখা হবে। যেখানে তাদের দেখার সুযোগ পাবেন সাধারণ মানুষও। তবে বন মহিষগুলিকে কানহা টাইগার রিজার্ভে রাখা হবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *