শুরু হচ্ছে বছরের বিশেষ সেই ৪০টা দিন, কাঁপছেন বাসিন্দারা
শুরু হতে চলেছে বছরের ৩৬৫ দিন থেকে আলাদা করা ৪০টা দিন। যা প্রতিবছর ফিরে আসে ডিসেম্বরে। ফলে কাঁপছেন বাসিন্দারা।
গোটা রাজ্য এখন কাঁপছে। পাহাড়ে অনেক জায়গায় তুষারপাত হচ্ছে। কোনও কোনও জায়গা আবার তুষারের অপেক্ষায়। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট এবার আরও বাড়বে। এরমধ্যেই এসে গেল রাজ্যের বাসিন্দাদের জন্য বছরের বিশেষ ৪০ দিন।
৩৬৫ দিন থেকে আলাদা করে নেওয়া এই ৪০ দিন প্রতিবছর কাশ্মীরীদের জীবনে ফিরে ফিরে আসে। যাকে তাঁরা ডাকেন ‘চিল্লাই কলন’ নামে। ক্যালেন্ডার মেনে এও যেন এক উৎসব। তবে তা বড় মন ভাল করা উৎসব নয়।
কারণ এই ৪০ দিন শুরু হয় প্রতিবছর ২১ ডিসেম্বর থেকে। আর শেষ হয় ৩০ জানুয়ারি। এই সময়টাকে বছরের বাকি সময় থেকে আলাদা করে দেওয়ার কারণ হাড় কাঁপানো ঠান্ডা।
এই ৪০ দিনে কাশ্মীর সবচেয়ে ভয়ংকর ঠান্ডার প্রকোপের মধ্যে দিন কাটায়। যেহেতু বছরের এই ৪০ দিন কাশ্মীরের মানুষ সবচেয়ে বেশি ঠান্ডার মধ্যে কাটান তাই এই সময়টাকে তাঁরা নাম দিয়েছেন চিল্লাই কলন।
কাশ্মীরে ঠান্ডা অবশ্য অনেক আগে থেকেই কামড় বসিয়েছে। পারদ অনেক জায়গাতেই মাইনাসে পৌঁছে গেছে। আবহাওয়া দফতর শনিবার রাত থেকেই সমতলে বৃষ্টি এবং পাহাড়ি জায়গায় তুষারপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।
সেটা হওয়া মানে একেবারে চিল্লাই কলনের প্রথম দিনেই যেন ঠান্ডার কামড় অনেকটা বেড়ে যাওয়া। বারামুলা, বান্দিপোরা এবং কুপওয়াড়ার বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে বেশি বার না হতে পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কারণ এসব জায়গায় অনেক বেশি তুষারপাত হওয়ার কথা।
স্কি করার জন্য শীতে গুলমার্গে যেসব পর্যটক হাজির হন তাঁরা এবার এখনও সেখানে বরফ পাননি। তবে এবার পরিস্থিতি বদলাবে বলেই মনে করছেন আবহবিদেরা। কারণ গুলমার্গে ভাল তুষারপাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে পর্যটকেরা বরফাবৃত গুলমার্গ পেতে চলেছেন অচিরেই। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













