পেঁয়াজ আর রসুনই যত নষ্টের গোড়া, শেষ হয়ে গেল ২২ বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক
২২ বছর একসঙ্গে কাটানোর পর অবশেষে তাঁরা বৈবাহিক সম্পর্ক ছেদ করে আলাদা হয়ে গেলেন। আর এই বিবাহবিচ্ছেদের কারণ হয়ে রইল পেঁয়াজ ও রসুন।
একটা বৈবাহিক সম্পর্ক ২২ বছর কেটে যাওয়ার পর সেখানে চিড় ধরতে পারে কিন্তু বিবাহবিচ্ছেদের পথে স্বামী স্ত্রী আর হাঁটতে চান না। কিন্তু এক্ষেত্রে হল। কারও কোনও অবৈধ সম্পর্ক নয়। কোনও শারীরিক নির্যাতন নয়। নিছক পেঁয়াজ আর রসুন শেষ করে দিল ২২ বছরের সম্পর্ক।
এ এক গুজরাটি দম্পতির কাহিনি। যা গোটা দেশের মানুষকে অবাক করেছে। তাঁদের বিয়ে হয়েছিল ২০০২ সালে। স্বামীর বাড়িতে পেঁয়াজ, রসুনের চল থাকলেও স্ত্রী পারিবারিকভাবে পেঁয়াজ রসুন থেকে শতহস্ত দূরে থাকা মানুষ। পেঁয়াজ রসুনের সঙ্গে তাঁর সখ্যতা নেই।
ফলে খাওয়ার সমস্যা নিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিয়ের প্রথম দিকেই একটা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে তা মিটে যায় শাশুড়ি বৌমার জন্য পেঁয়াজ রসুন ছাড়াই রান্না করে দেওয়ায়। এভাবেই একই বাড়িতে স্বামী ও স্ত্রীর আলাদা রান্নায় চলে যাচ্ছিল দিনগুলো।
কিন্তু তার পরেও বিষয়টি থামেনি। পেঁয়াজ, রসুনকে কেন্দ্র করে অশান্তি চলতেই থাকে। বিষয়টি নিয়ে অশান্তি এতদূর গড়ায় যে স্বামী বিবাহবিচ্ছেদ চেয়ে পারিবারিক আদালতের দ্বারস্থ হন।
বিষয়টি পরে গুজরাট হাইকোর্টেও পৌঁছয়। সেখানে ওই ব্যক্তির স্ত্রীও জানিয়ে দেন তাঁর বিবাহবিচ্ছেদে কোনও আপত্তি নেই। ফলে আদালতও বিষয়টিতে সম্মতি দেয়।
পেঁয়াজ ও রসুন খাওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী ও স্ত্রীর ২ ভিন্ন মত ২২ বছরের বৈবাহিক জীবনে ইতি টেনে দিল। যা কখনওই অভিপ্রেত নয়। কোনও সমাধান সূত্রও বার হল না এই দাম্পত্য টিকিয়ে রাখার জন্য।













