বাড়ি, প্রতীকী ছবি
কলকাতায় একটি ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন যুবক। সহকারী ম্যানেজারের পদে কর্মরত ছিলেন। বিয়েও করেছিলেন। তবে দম্পতি এখনও নিঃসন্তান।
২৮ বছরের মণীশ সিংয়ের স্ত্রীকে নিয়ে সংসার বেশ চলছিল। কিন্তু ব্যাঙ্কের ওই চাকরি ভাল লাগছিল না মণীশের। ব্যাঙ্কের চাকরি করতে অনীহা থেকে ক্রমে তিনি মানসিক অবসাদে চলে যেতে থাকেন।
গত ফেব্রুয়ারি মাসে অবশেষে চাকরিটাই ছেড়ে দেন মণীশ। শুধু চাকরি ছাড়াই নয়, চাকরি ছেড়ে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে কলকাতা ছেড়ে লখনউতে চলে আসেন।
সেখানে আদিল নগর এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া করে স্ত্রী সারিকাকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন মণীশ। এদিকে স্বামীর চাকরি না থাকায় ক্রমে অর্থসংকট প্রকট হতে থাকে। ফলে চাকরি খুঁজতে বার হতে হয় সারিকাকে।
সারিকা পুলিশকে জানিয়েছেন তিনি চাকরির খোঁজে বার হয়েছিলেন। স্বামী মণীশ বাড়িতে একাই ছিলেন। তিনি বাড়ি ফিরে দেখেন ঘর ভিতর থেকে বন্ধ করা।
অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া পাননি সারিকা। এরমধ্যেই বাড়িওয়ালা চলে আসেন সেখানে। তিনি পুলিশে ফোন করেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখে মণীশ সিং সিলিং থেকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন।
মৃত মণীশের দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। স্ত্রী সারিকার বয়ানও রেকর্ড করেছে। তবে ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। অবসাদ থেকেই কি এই সুইসাইডের সিদ্ধান্ত? বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা
মানুষের জীবনাবসানের পরই শ্রাদ্ধ হয়। কিন্তু এবার এক বৃদ্ধ তাঁর জীবদ্দশাতেই নিজের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করে ফেললেন।…
পশ্চিম এশিয়া জ্বলছে। অনেক দেশেই জ্বালানি সমস্যা ক্রমশ বৃহৎ আকার নিচ্ছে। এসবের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
বিলাসবহুল হোটেলের ঘরে সুখনিদ্রায় মগ্ন দম্পতির ঘুম ভেঙে যায় এক আশ্চর্য শব্দে। ঘুম থেকে উঠে…
জল নিকাশি ব্যবস্থা যাতে ঠিক থাকে তার ব্যবস্থাই করা হচ্ছিল। আর তা করতে গিয়ে পাওয়া…
তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। বার ২০ চেষ্টা করেও মাংস সিদ্ধ হচ্ছেনা। তাই কড়াই ভর্তি আধ…
প্রেম যে অন্ধ হয় তা তো সকলের জানা। সেখানে প্রেমিকের মুখে অন্য মেয়ের প্রশংসা। এটা…