প্রতীকী ছবি
কানপুর (উত্তরপ্রদেশ) : বিহারের বেগুসরাইয়ে কনের বাড়িতে প্রায় ৬০ দিন কাটানোর পর বর ও কনেকে সঙ্গে নিয়ে বরযাত্রী শেষমেশ বাড়ি ফিরল। বাড়ি ফেরার পরই বরকনে সমেত সকলকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উত্তরপ্রদেশের কানপুরের চৌবেপুর এলাকার হাকিম নগর গ্রামের বাসিন্দা ইমতিয়াজের গত ২১ মার্চ বিহারের বেগুসরাইয়ের খুশবুর সঙ্গে বিয়ে হয়। কিন্তু ২২ মার্চ জনতা কারফিউ এবং তারপরে দেশজুড়ে লকডাউনের কারণে, বরকনে সমেত বরযাত্রী আর বাড়ি উত্তরপ্রদেশে ফেরত আসতে পারেনি। সকলেই বাধ্য হয়ে কনের বাড়িতে থেকে যান।
ইমতিয়াজের বাবা মেহবুব জানিয়েছেন যে তাঁরা সমস্ত হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করেন, কিন্তু কোন লাভ হয়নি। পরিস্থিতি তাঁদের কনের বাড়িতে থাকতে বাধ্য করে। এই ঘটনা সদ্যবিবাহিতা মেয়েটির পরিবারের উপর অতিরিক্ত বোঝা স্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়। মেহবুবরা তাঁদের পক্ষ থেকে কনের পরিবারকে যতটা সম্ভব পারা যায় সাহায্য করার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
শেষপর্যন্ত ১ উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকের সহায়তায় তাঁরা ট্রাভেল পাস পান। স্থানীয়রা একটি মিনি বাসের ব্যবস্থা করেন। যাতে চড়ে তাঁরা গত ১৯ মে বেগুসরাই থেকে কানপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। ২০ ঘণ্টার এই যাত্রাপথে জাতীয় সড়কের ওপর স্থানীয় মানুষজন বরযাত্রীদের পানীয় জল ও খাবার সরবরাহ করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। বরযাত্রীদের কয়েকজন জানিয়েছেন এই বিয়ের অভিজ্ঞতা তাঁদের সারাজীবন মনে থাকবে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা
দেশের অধিকাংশ রাজ্যেই ভাত খাওয়ার চল রয়েছে। অনেক মানুষই ভাতের ভক্ত। তবে একটি রাজ্যকেই বলা…
মানুষের জীবনাবসানের পরই শ্রাদ্ধ হয়। কিন্তু এবার এক বৃদ্ধ তাঁর জীবদ্দশাতেই নিজের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করে ফেললেন।…
পশ্চিম এশিয়া জ্বলছে। অনেক দেশেই জ্বালানি সমস্যা ক্রমশ বৃহৎ আকার নিচ্ছে। এসবের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
বিলাসবহুল হোটেলের ঘরে সুখনিদ্রায় মগ্ন দম্পতির ঘুম ভেঙে যায় এক আশ্চর্য শব্দে। ঘুম থেকে উঠে…
জল নিকাশি ব্যবস্থা যাতে ঠিক থাকে তার ব্যবস্থাই করা হচ্ছিল। আর তা করতে গিয়ে পাওয়া…
তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। বার ২০ চেষ্টা করেও মাংস সিদ্ধ হচ্ছেনা। তাই কড়াই ভর্তি আধ…