চাঁদে যাবে বলে সড়কপথে ১১ ঘণ্টা পাড়ি, চন্দ্রাভিযান এখন সময়ের অপেক্ষা
১১ ঘণ্টা ধরে সড়কপথে পাড়ি দেওয়া চাই। চাঁদে যাওয়ার জন্য এটা করতেই হত। করাও হল। এবার উড়ে যাওয়ার পালা। যা এখন সময়ের অপেক্ষা।
চাঁদে পাড়ি দিচ্ছে আর্টেমিস ২ মিশন। স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেটে চেপে উড়ে যাবে ওরিয়ন মহাকাশযান। যাতে চেপে পাড়ি দেবেন ৪ মহাকাশচারী। চাঁদের মাটিতে না নামলেও মহাকাশচারীরা চাঁদের খুব কাছে পৌঁছে যাবেন। তারপর তাঁরা মহাকাশযানে চেপেই চাঁদকে প্রদক্ষিণ করতে থাকবেন।
এই চন্দ্রাভিযান বারবার পিছিয়েছে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি ধরা পড়ায় কোনও ঝুঁকি নেননি নাসার বিজ্ঞানীরা। পিছিয়ে দিয়েছেন যাত্রা। অবশেষে এপ্রিলের শুরুতে চাঁদে যাওয়া নিশ্চিত হয়েছে। যার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেল।
কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেটে চেপে উড়ে যাবে ওরিয়ন মহাকাশযান। চাঁদে পাড়ি দেবে ৪ মহাকাশচারীকে নিয়ে। এই রকেট এবং ওরিয়ন মহাকাশযানকে এবার সড়কপথে নিয়ে আসা হল কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাডে।
১১ ঘণ্টা ধরে সড়কপথে পাড়ি দিয়ে রকেট এবং মহাকাশযান এসে উপস্থিত হয়েছে। ৬.৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে লঞ্চ প্যাডে পৌঁছয় এগুলি। ভেহিকল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং থেকে রকেট ও ওরিয়নকে নিয়ে আসা হয়।
অনেকেই মনে করছেন লঞ্চ প্যাড পর্যন্ত যখন সেগুলি এসে পড়েছে তখন এপ্রিলের শুরুতে চাঁদে পাড়ি দেওয়ায় আর কোনও বাধা হয়তো আসবেনা। এখন বিজ্ঞানীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় থাকবেন।
কারণ চাঁদের খুব কাছ থেকে চাঁদকে প্রদক্ষিণ করার সময় কত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন মহাকাশচারীরা সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই কিন্তু আগামী দিনে চাঁদে বসতি গড়ার পরিকল্পনা রূপায়ণ অনেকটা নির্ভর করে আছে।













