মঙ্গলের মাটিতে রহস্যময় শঙ্কু আকৃতির বস্তু ঘিরে নতুন করে তুঙ্গে কৌতূহল
মঙ্গলগ্রহের মটিতে পড়ে আছে একটা শঙ্কু আকৃতির বস্তু। দেখে মনে হচ্ছে যেন মানুষের তৈরি কিছু একটা জিনিস। কি ওটা সেটা জানতে কৌতূহলী বিশেষজ্ঞেরা।
মঙ্গলগ্রহের মাটিতে যতই নাসার রোভাররা ঘুরেছে ততই নানা অজানা জিনিস নজর কেড়েছে। যা প্রতি মুহুর্তে বিজ্ঞানীদের অবাক করেছে। লাল গ্রহকে নতুন করে চিনতে সাহায্য করেছে সেসব ছবি এবং ছবিতে দেখতে পাওয়া মাটি, পাথর, খনিজ, পাহাড়, খাদ ইত্যাদি।
পারসিভিয়ারেন্স রোভার এবং কিউরিওসিটি রোভার এমন অনেক কিছু বিজ্ঞানীদের উপহার দিয়েছে যা দেখার পর মঙ্গলগ্রহ সম্বন্ধে পুরনো ধারনাই বদলে গেছে বিজ্ঞানীদের।
এই কিউরিওসিটি রোভার ২০২২ সালেই মঙ্গলের মাটিতে একটি চকচকে শঙ্কু আকৃতির পদার্থের দেখা পেয়েছিল। যা দেখে মনে হতে পারে যে মানুষের কাজ। এমন নিখুঁত ধাতব দর্শন বস্তু মঙ্গলের মাটিতে আসবে কোথা থেকে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এখন অবশ্য কিউরিওসিটি অন্য জায়গায় রয়েছে। সেখানে পরীক্ষার কাজ চালাচ্ছে। কিন্তু ওই শঙ্কু আকৃতির বস্তুটিকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়েছে।
লাল গ্রহের গেল ক্রেটারে দেখতে পাওয়া সেই ২০ সেন্টিমিটারের মত লম্বা বস্তুটি ঘিরে নতুন করে কৌতূহল জাগালেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক। তিনি বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ওটা ঠিক কি তা জানতে পারলে মঙ্গল সম্বন্ধে আরও অনেক রহস্যের জট খোলা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তিনি। মানুষের ফেলে আসা জিনিসের মত মনে হওয়া ওই জিনিস মঙ্গলে স্বাভাবিক ভাবে তৈরি হবে কীভাবে সে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এমনকি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গবেষক নাসার কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন যে যদি সম্ভব হয় তাহলে কিউরিওসিটি রোভারটিকে ফের ওই জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে ওই শঙ্কু আকৃতির বস্তুটি ভাল করে পরীক্ষা করে দেখা হোক।
এতে মঙ্গলগ্রহের সম্বন্ধে অনেক কিছু জানা যেতে পারে বলে মনে করছেন তিনি। নিউ ইয়র্ক পোস্টে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর আলোড়ন পড়েছে।













