চেয়েও পাচ্ছেন না ক্রীড়াবিদরা, শীতকালীন অলিম্পিকসে ৩ দিনে শেষ ১০ হাজার কন্ডোম
এককথায় হাহাকার অবস্থা। চেয়েও পাচ্ছেন না ক্রীড়াবিদরা। আর একটাও অবশিষ্ট নেই বলেই জানাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। আজব বিভ্রাটে শীতকালীন অলিম্পিকস ভিলেজ।
কন্ডোম নেই। হাতে ছিল ১০ হাজার কন্ডোম। কিন্তু তা মাত্র ৩ দিনেই শেষ হয়ে গেছে। শীতকালীন অলিম্পিকসের উদ্যোক্তারা এখন কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। এদিকে ক্রীড়াবিদরাও হয়রান। চেয়েও কন্ডোম না পাওয়ায় কার্যতই অখুশি তাঁরা।
উদ্যোক্তারা নিশ্চিত করেছিলেন কন্ডোম চাইলে পাওয়া যাবে। কিন্তু এখন তাঁরা আর কন্ডোমের যোগান দিতে পারছেন না। ইতালিতে এবার বসেছে শীতকালীন অলিম্পিকসের আসর।
সেখানে ১০ হাজার কন্ডোম মাত্র ৩ দিনে যে উধাও হয়ে যাবে তা কল্পনাও করতে পারেননি উদ্যোক্তারা। তাঁরা আরও কন্ডোমের যোগানের ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ক্রীড়াবিদরা বিরক্ত। তাঁরা স্পষ্ট জানাচ্ছেন কবে যে তাঁরা কন্ডোম পাবেন তা তাঁরাও জানেননা।
শীতকালীন অলিম্পিকস ভিলেজে যাতে মিলন থেকে কোনও রোগ না ছড়ায় সেজন্য কন্ডোমের ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের এটাও জানানো হয় যে কন্ডোম তাঁরা পাবেন।
কিন্তু এখন সেই শীতকালীন অলিম্পিকসের ভিলেজে কন্ডোম নেই। উদ্যোক্তারা কথা দিয়েও কথা রাখতে পারছেন না। দ্রুত ভিলেজে কন্ডোম যোগানের জন্য চেষ্টার ত্রুটি রাখছেন না তাঁরা।
১৯৮৮ সালে সিওলে অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিকসে প্রথম এই ক্রীড়াবিদদের মধ্যে কন্ডোম বিতরণের রেওয়াজ শুরু হয়। তারপর থেকে সুস্থ মিলন সম্বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে এটা একটি প্রথায় পরিণত হয়।
এবার কন্ডোম কেন এত কম আনা হয়েছে শীতকালীন অলিম্পিকসে তা এখনও পরিস্কার নয়। এ নিয়ে প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। ইতালির সংবাদমাধ্যমগুলিতে এই খবর নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হওয়ার পর বিশ্বের বহু সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।













