২৫০০ বছর আগেও গ্রহ নক্ষত্রের গতিবিধির নজর রাখত আধুনিক মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র
২৫০০ বছর আগেও যে এমন আধুনিক মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থাকতে পারে তা দেখার পর অবাক বিজ্ঞানীরা। মায়া সভ্যতার বাইরেও এই আধুনিকতা তাক লাগিয়েছে।
মায়া সভ্যতা প্রাচীন হলেও নিজের সময়ের চেয়ে তার এগিয়ে থাকার নানা বিষয় আজও নজর কাড়ে। তাই মায়া সভ্যতা নিয়ে চর্চাও থেমে নেই। তবে মায়া সভ্যতার বাইরেও কোনও ২ হাজার ৫০০ বছর পুরনো সভ্যতায় মহাকাশ চর্চার জন্য দস্তুরমত একটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ছিল এটা সামনে আসার পর বিশেষজ্ঞেরাও অবাক হয়ে গেছেন।
মেক্সিকোর পুয়েবলা-র তেতেলেস দে এভিলা কাসতিল্লো এলাকায় প্রাচীন বসতির খোঁজ চালাচ্ছিলেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। সে সময় তাঁরা সেখানে একটি বিশাল স্থাপত্যের দেখা পেয়েছেন। যেখানে সূর্যকে পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা ছিল।
সূর্যকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মধ্যে মহাকাশের নানা খুঁটিনাটির খবর নিতেন সেখানকার বাসিন্দারা। ২ হাজার ৫০০ বছর আগের ওই এলাকায় বাস করতেন মেসোআমেরিকানরা। মেসোআমেরিকান ক্যালেন্ডারও ছিল তাঁদের। তাঁরা সেই ক্যালেন্ডার তৈরিই করতেন তাঁদের সেই সূর্য পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে।
মেসোআমেরিকানরা তাঁদের প্রধান ভবনগুলি তৈরিই করতেন মহাকাশ পর্যবেক্ষণ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে। সে সময় সেখানে জ্যোতির্বিদ্যা ভিত্তিক ভবন নির্মাণের চল ছিল বলেও জানতে পেরেছেন গবেষকের।
এই ভবনগুলির সঙ্গে আবার মায়া সভ্যতার কিছু যোগ পাওয়া যায়। মহাকাশ পর্যবেক্ষণের মধ্যে দিয়ে পাওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করত সেখানকার কৃষিকাজও।
কোন সময় বীজ বপন, কখন ফসল কাটা, সবটাই নির্ধারিত হত একটি নিয়মের মধ্যে দিয়ে। যে ক্যালেন্ডারও তৈরি হত এই পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের হাত ধরেই। প্রাচীন মহাকাশ গবেষণায় মায়া সভ্যতার বাইরে এ এক অনন্য আবিষ্কার বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।











