পেঁচার চঞ্চুতে মানুষের মুখ, পাওয়া গেল ১৪০০ বছর পুরনো সমাধির খোঁজ
১ হাজার ৪০০ বছর পুরনো এক পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের খোঁজ পেলেন বিশেষজ্ঞেরা। যেখানে সবচেয় অদ্ভুত হল পেঁচার চঞ্চুতে ধরা এক মানুষের মুখ।
৬০০ খ্রিস্টাব্দে তৈরি এক সমাধির খোঁজ পেলেন পুরাতাত্ত্বিকরা। অনেক খোঁজের পর অবশেষে এই আশ্চর্য সমাধির খোঁজ পেয়েছেন তাঁরা। যেখানকার শিল্পকর্ম আদপে সে সময়ের সামাজিক রীতি ও বিশ্বাসকে তুলে ধরেছে।
যেখানে পাথরের শিল্পকর্মের সঙ্গে পাওয়া গেছে রঙিন দেওয়ালচিত্র। রঙিন দেওয়ালচিত্রে শক্তি ও জীবনাবসানের কথা উঠে এসেছে। এটাও সেই সময়ের জীবনধারাকেই তুলে ধরে।
এটি জ্যাপোটেকদের সমাধিক্ষেত্র। সবচেয়ে বেশি করে যেটা এই আবিষ্কারে নজর কেড়েছে তা হল সমাধির সামনে পাথরের ওপর একটি পেঁচার মুখ। যা পাথরের অনুপম এক শিল্পকর্ম। সেই পেঁচার চঞ্চু ধরে আছে একটি মানুষের মুখ। এটা নজর কেড়ে নিয়েছে পুরাতাত্ত্বিকদের।
জ্যাপোটেকরা পেঁচাকে রাত ও জীবনাবসানের প্রতীক বলে মনে করতেন। সেটাই যে এই শিল্পে উঠে এসেছে সেটা পুরাতাত্ত্বিকদের কাছে পরিস্কার। চঞ্চুতে ধরে থাকা মানুষের মুখ আদপে বোঝাচ্ছে ভিতরে শুয়ে আছেন এক প্রাণহীন মানুষ। এটা প্রতীকী।
দক্ষিণ মেক্সিকোর সান পাবলো হুইৎজো এলাকায় এই সমাধির দেখা পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। এই এলাকায় ১ হাজার ৪০০ বছর আগে জ্যাপোটেক জনজাতির বাস ছিল। তাঁদেরই এই সমাধিক্ষেত্র। ফলে তাঁদের সামাজিক রীতি, শিল্প, বিশ্বাস সবই ফুটে উঠেছে এখানে।
সমাধির দ্বারে ২টি মানুষের চেহারা এই সমাধির অভিভাবক হিসাবে রাখা হয়েছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। খবরটি অন্যতম সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এ প্রকাশিত হওয়ার পর অনেক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।













