গায়ে বরফ মেখে অভিনব বিয়ে, বিখ্যাত মন্দিরে বিয়ে করলেন যুবক যুবতী
বিয়ের পোশাক যেমন হয় তেমনই ছিল বরকনের পরনে। কিন্তু তা তখন বরফে মাখামাখি হয়ে গেছে। তাতে পিছপা হননি তাঁরা। বিয়ে করলেন পবিত্র স্থানে।
উত্তরাখণ্ডের ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে বিয়ে হয়েছিল ভগবান শিব পার্বতীর। তাই এই মন্দির বহু মানুষের কাছেই বড় পবিত্র। এই মন্দিরে বিয়ে করার ইচ্ছা অনেকের থাকে। সেজন্য দূর দূর থেকেও যুবক যুবতী পরিবারের সঙ্গে বিয়ে করতে হাজির হন এখানে।
তেমনই এক বরকনে মেরঠ থেকে হাজির হয়েছিলেন ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে। বিয়ে করবেন বলে। এদিকে উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত ৪ ধাম কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী সহ গাড়োয়াল ও কুমায়ুন মরসুমের প্রথম তুষারপাত পেয়েছে বসন্তপঞ্চমীর দিন।
ওদিনই ওই বরকনে বিয়ে করতে হাজির হন ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে। মন্দির সহ চারধার তখন বরফের চাদরে ঢাকা। ঝুরঝুর করে তুষারপাত হয়েই চলেছে। সেই প্রবল তুষারপাত সত্ত্বেও তাঁরা পিছপা হননি। বরকনে বিয়ের পারম্পরিক পোষাকেই হাজির হন মন্দিরে। তাঁরা তখন বরফে মাখামাখি।
কনের জমকালো লেহেঙ্গা পিছন থেকে অন্য এক মহিলা ধরে ছিলেন। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে বর বিয়ের পোশাকের ওপর কেবল একটি জ্যাকেট পরেছিলেন। কনেও একটি জ্যাকেট কেবল কাঁধের ওপর রেখেছিলেন।
এভাবে বরফ বৃষ্টিতে মাখামাখি হয়ে প্রবল ঠান্ডাতে তাঁরা ওই মন্দিরে যে বিয়ে করতে পেরেছেন তাতেই তাঁরা খুশি। কারও মুখ থেকে হাসি মেলায়নি ঠান্ডায়। বরং এই তুষারপাতকে ঈশ্বরের আশির্বাদ হিসাবেই নিয়েছেন তাঁরা।
তুষারপাত হোক, তাঁরা যে ত্রিযুগীনারায়ণ মন্দিরে বিয়ে করতে পেরেছেন তাতেই তাঁরা বেজায় আনন্দিত। এদিকে উত্তরাখণ্ডের অনেক জায়গায় তুষারপাত শুরু হয়েছে। মুসৌরি, আউলি, মুন্সিয়ারি বরফে মুড়েছে।













