কর্মক্ষেত্রে হেনস্থার শিকার তিনি। তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে তিষ্ঠতে দেননা। মানসিক অত্যাচার করেন। স্বামীর কাছে এই অভিযোগ আগেই করেছিলেন তিনি। কিন্তু এসব সহ্য করেই যাদবপুরের কে এস রায় টিবি হাসপাতালে চাকরি করছিলেন ইব্রাহিম রোডের বাসিন্দা পেশায় নার্স মধ্যবয়সী মহুয়া মিত্র। সম্প্রতি তাঁকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে বদলি করা হয়। পরিবারের দাবি, একে দিনের পর দিন হেনস্থা, তার ওপর বদলির মত মানসিক চাপ তিনি নিতে পারেননি। মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বেশ কিছুদিন ধরে। অবশেষে গত রবিবার সকাল থেকে তাঁকে আর খুঁজে পাচ্ছিলেন না বাড়ির লোকজন। পরে যাদবপুর বাঘাযতীন রেল স্টেশনের মাঝে তাঁর দেহ খুঁজে পায় জিআরপি। মহুয়া মিত্রের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনায় তাঁর সহকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতের পরিবার। ঘটনার তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
জল নিকাশি ব্যবস্থা যাতে ঠিক থাকে তার ব্যবস্থাই করা হচ্ছিল। আর তা করতে গিয়ে পাওয়া…
তিনি অনেক চেষ্টা করেছেন। বার ২০ চেষ্টা করেও মাংস সিদ্ধ হচ্ছেনা। তাই কড়াই ভর্তি আধ…
প্রেম যে অন্ধ হয় তা তো সকলের জানা। সেখানে প্রেমিকের মুখে অন্য মেয়ের প্রশংসা। এটা…
কিটক্যাট অনেকেরই পছন্দের। সেই কিটক্যাট মাঝরাস্তা থেকে উধাও হয়ে গেল। ১টা ২টো নয়, ৪ লক্ষের…
স্থানীয় ভাষায় বলা হয় দণ্ডবৎ যাত্রা। সহজ করে বললে দণ্ডি কাটা। বিবাহবিচ্ছেদের আনন্দ উদযাপন করতে…
মেষ রাশির আজকের দিনটা কেমন কাটতে চলেছে, রাশিফল ও দৈনিক সময়সূচী অনুযায়ী প্ল্যানিং করুন আজ…