একসময় ধনী মহিলারা সাজার জন্য বিশেষ পুরুষদের ঘাম মাখতেন, আরও একটা কারণ ছিল
মহিলারা সাজার জন্য নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। তা বলে পুরুষদের ঘাম। সেটাই কিন্তু ব্যবহার করতেন ধনী মহিলারা। আরও একটা কারণেও ব্যবহার হত সেই ঘাম।
নারী চিরকালই সাজে গুরুত্ব দিয়েছে। সে পৃথিবীর যে প্রান্তেই হোক। বিশ্বের এক এক প্রান্তে সাজের এক এক রকম ধরন ছিল। মধ্যযুগে বিশ্বের এক প্রান্তে যোদ্ধাদের ঘাম সংগ্রহ করার একটা প্রচলন ছিল।
সে সময় রোমান সাম্রাজ্যে গ্ল্যাডিয়েটররা বদ্ধভূমিতে ভীষণ লড়াইয়ে যোগ দিতেন। তাঁরা ছিলেন শক্তিশালী যোদ্ধা। ২ যোদ্ধার লড়াই দেখতে সেই বদ্ধভূমির চারধারে মানুষ ভিড় জমাতেন। সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ দেখতেন।
২ যোদ্ধা যখন সেই লড়াইতে অবতীর্ণ হতেন তখন তাঁদের দেহ থেকে প্রচুর ঘাম নির্গত হত। লড়াই শেষ হলেও বেশ কিছুক্ষণ ধরেই তাঁদের দেহ থেকে ঘাম বার হতে থাকত।
গ্ল্যাডিয়েটরদের সেই ঘাম তাঁদের শরীর থেকে চেঁচে তুলে সংগ্রহ করা হত। ওই ঘাম অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোমান সাম্রাজ্যের ধনী মহিলাদের কাছে চলে যেত। তাঁরা মুখ সহ সারা দেহেই সেই ঘাম মাখতেন।
অনেক সময় বিশেষ তেলের সঙ্গে সেই ঘাম মিশিয়ে তা মাখতেন মহিলারা। তাঁদের বিশ্বাস ছিল এতে তাঁদের আরও সুন্দর দেখতে লাগবে। তবে শুধু সাজার জন্যই নয়, আরও একটি কারণে গ্ল্যাডিয়েটরদের ঘাম মহিলারা শরীরে মাখতেন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
একাংশের বিশেষজ্ঞদের ধারনা মহিলারা মনে করতেন এই ঘাম কামোদ্দীপকের কাজও করে। তবে রূপচর্চার ক্ষেত্রে যে এই যোদ্ধাদের ঘাম রোমান ধনী মহিলারা ব্যবহার করতেন তা নিশ্চিত বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।













