মহাকাশে মানুষ পাঠানোর অভিযান গগনযানে বড় সাফল্য পেল ভারত
ভারত তার নিজের প্রযুক্তিতে মহাকাশে মানুষ পাঠাতে চলেছে। সেই গগনযান মিশনে বড় সাফল্য পেল ইসরো। তৈরি হল মাইলফলক।
ভারত মহাকাশে মানুষ পাঠাতে চলেছে। ভারতের যে ২ জন ইতিমধ্যেই মহাকাশে যাত্রা করেছেন তাঁরা রাকেশ শর্মা এবং শুভাংশু শুক্লা। তবে এঁরা কেউ ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতীয় মহাকাশযানে মহাকাশে পৌঁছননি।
এবার ভারত তার নিজস্ব প্রযুক্তিতে মহাকাশে মানুষ পাঠাতে চলেছে। ইসরো তার উদ্যোগও অনেকদিন আগে থেকে শুরু করেছে। গগনযান নিয়ে শুধু ভারতবাসী নন, গোটা বিশ্ব তাকিয়ে আছে ইসরোর দিকে।
ভারত এই অভিযানে কেমন সাফল্য পায় তার দিকে নজর থাকছে সবারই। ২০২৭ সালেই গগনযান মহাকাশে পাঠানোর লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। আর সেই লক্ষ্যে ছুটতে গিয়ে এবার বড় সাফল্য পেল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো।
দ্বিতীয় ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ড্রপ টেস্ট সাফল্যের সঙ্গে পার করল ইসরো। শুক্রবার শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে এই পরীক্ষার উড়ান শুরু হয়। যা সফল হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হল কি এই ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ড্রপ পরীক্ষা? গগনযান মহাকাশে ভারতীয় ৪ মহাকাশচারীকে নিয়ে উড়ে যাবে। তাঁরা সেখানে নির্দিষ্ট সময় কাটানোর পর ফের পৃথিবীতে ফিরবেন।
পৃথিবীতে ফেরার সময় যে ক্যাপসুলে তাঁরা ফিরবেন তা কোনও সমস্যা ছাড়া নিখুঁতভাবে যাতে পৃথিবীতে পৌঁছতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পরীক্ষা। কারণ এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ বিজ্ঞানীদের কাছে। সেই পরীক্ষায় বড় সাফল্যে এল ইসরোর ঝুলিতে।
দ্বিতীয় ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ড্রপ পরীক্ষা সফল হওয়ার পর ইসরোকে অভিনন্দন জানান কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। গগনযান মিশনের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এই সাফল্য একটি মাইলফলক তৈরি করল বলে ব্যাখ্যা করেছেন মন্ত্রী। প্রসঙ্গত গগনযান প্রকল্পে কেন্দ্র ১০ হাজার কোটি টাকা ধার্য করেছে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













