ভোল বদলে গেল পশ্চিমবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনের, স্থানীয়রাই চিনতে পারছেন না
সবকিছুতেই আধুনিকতার ছোঁয়া। উন্নত শৈল্পিক ভাবনার স্পর্শ। যাত্রীদের জন্য অঢেল সুযোগ সুবিধা। চেনা যাচ্ছেনা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম এই রেলস্টেশনকে।
স্থানীয়রা যাঁরা ওই স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করেন, তাঁরাই চিনতে পারছেন না তাঁদের ছোট থেকে দেখে আসা রেলস্টেশনকে। যেখানে কিছুদিন আগেও এই স্টেশনে ছিল পুরনো ছাপ। অনেক জায়গাতেই আবর্জনা পড়েছিল। সেই স্টেশন এখন অমৃত ভারত যোজনায় ভোল বদলে অতি আধুনিক।
যেমন স্টেশনের মধ্যেটা, তেমনই তার বাইরের অংশ। অপূর্ব সাজে সেজে উঠেছে বাংলার এই অন্যতম রেলস্টেশন। স্টেশনের সামনে সুন্দর বাগান। গাড়ি ও যাত্রীদের ঢোকা বার হওয়ার চওড়া পথ। সাজানো তোরণে স্টেশনের নাম লেখা।
আশপাশের অনেকটা ফাঁকা এলাকাও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। সবই যাত্রী সুবিধার কথা মাথায় রেখে। পরিচ্ছন্নতা নজর কেড়ে নিচ্ছে। ঝকঝকে চারধার।
স্টেশনের ভিতরে দেওয়াল স্থানীয় শিল্প ও সংস্কৃতির ছোঁয়ায় অন্যই রূপ নিয়েছে। যেখানে রয়েছে অনেক রঙিন চিত্র এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবি। স্টেশন চত্বরে পরিচ্ছন্নতার ছাপ স্পষ্ট।
পরিকাঠামোর ক্ষেত্রেও এই স্টেশনের চেহারা বদলে গেছে। তৈরি হয়েছে ১২ মিটার চওড়া ফুট ওভারব্রিজ, সিঁড়ি, স্টেট অফ দ্যা আর্ট যাত্রী প্রতীক্ষালয়, প্ল্যাটফর্মের মাথায় উন্নত আচ্ছাদন।
প্ল্যাটফর্মও আধুনিক রূপে সেজে উঠেছে। নতুন আলোয় ভরে দেওয়া হয়েছে স্টেশন চত্বর। পানীয় জলের সুব্যবস্থা, পরিস্কার টয়লেটও এই স্টেশনকে অন্য মাত্রায় তুলে নিয়ে গেছে। অত্যাধুনিক মানের ডিসপ্লে বোর্ড লাগানো হয়েছে স্টেশনে।
দক্ষিণ পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনে পুরুলিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ বরাভূম স্টেশনটি পড়ছে। বরাভূম স্টেশনটি বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশাকে যেন এক সূত্রে গেঁথে দেয়।
এই স্টেশনের চেহারা ফেরাতে অমৃত ভারত যোজনার আওতায় স্টেশনের উন্নতিকল্পে ৭ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। তা দিয়েই এই উন্নয়নের কাজ করা হয়েছে।













