দেশের এই ট্রেনটি খাবারের রানি বলে পরিচিত, যে কারও জিভে জল আসতে পারে
এই ট্রেনটিকে ভ্রমণের রানিও বলা যেত। তবে তার পরিচিতি খাবারের রানি বা ফুড কুইন হিসাবে। এ ট্রেনে সফর মানে চোখ জুড়িয়ে দেওয়া প্রকৃতি আর জিভে জল আনা খাবারের সুযোগ।
চারধারে সবুজে মোড়া প্রকৃতি। বর্ষার সময় যার রূপ আরও বেড়ে যায়। সবুজ যেন আরও সবুজ হয়ে ধরা দেয় ভিজে প্রকৃতির বুকে। মাঝেমাঝেই এই সবুজের বুক চিরে ছুটে চলা ট্রেন ঢুকে পড়ে পাহাড়ের পেটের মধ্যে দিয়ে করা সুড়ঙ্গপথে।
আবার যেতে যেতে কখনও ট্রেনের তলা দিয়ে বয়ে যায় ঝর্না। পাহাড়ের গা বেয়ে সেই ঝর্নার নেমে আসা ট্রেন থেকে ছবির মত সুন্দর মনে হয়। এমন চোখ জুড়িয়ে দেওয়া প্রকৃতির বুক চিরে যাওয়া একটা ট্রেনের নাম ট্রাভেল কুইন বা ভ্রমণের রানিও হতে পারত।
কিন্তু এই অপরূপ প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে ট্রেন ভ্রমণের সময় যদি জিভে জল আনা খাবার সঙ্গত দিতে পারে তাহলে এই ভ্রমণটাই চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে। মুম্বই থেকে গোয়া যাওয়ার ট্রেন মাণ্ডবী এক্সপ্রেস এমনই এক প্রকৃতির মধ্যে দিয়ে ভ্রমণ করে।
এমন এক মন ভরিয়ে দেওয়া ভ্রমণ উপহার দেওয়া একটা ট্রেন কিন্তু বিখ্যাত ‘ফুড কুইন অফ কোঙ্কণ রেলওয়েজ’ নামে। আর তার কারণ হল এ ট্রেনে পাওয়া খাবারের সম্ভার। সিটে বসে বাইরের প্রকৃতি দেখতে দেখতে নানাধরনের খাবার খাওয়ার সুযোগ রয়েছে এ ট্রেনে। যেখানে ৬০ রকম খাবার পাওয়া যায়।
এই ট্রেনে পোহা, ইডলি থেকে শুরু করে বার্গার, স্যান্ডউইচ, ধনেপাতার বড়া, বড়া পাও থেকে দুপুরের খাবারে পাওয়া যায় ভাত, ডাল, মুরগির মাংসের পদ। পাওয়া যায় দইও। আবার নিরামিষভোজীদের জন্য থাকে পনির। আবার চাইলে ফ্রায়েড রাইসও পাওয়া যেতে পারে। পাওয়া যায় গোলাপজামের মত মিষ্টিও।
পশ্চিমঘাট পর্বতমালার মাঝখান দিয়ে কোঙ্কণ উপকূল হয়ে যাওয়া এই মাণ্ডবী এক্সপ্রেস দেশি বিদেশি পর্যটকদের এক অন্যই অভিজ্ঞতার ডালি সাজিয়ে দেয়। একাধারে প্রকৃতিকে উপভোগ আর জিভে জল আনা খাদ্যসম্ভার ট্রেন ভ্রমণে পাওয়া বোধহয় এই মাণ্ডবী এক্সপ্রেসেই সম্ভব।













