কমলা আর কালোয় মোড়া অপূর্ব এই পাখিকে ছোঁয়া যায়না, ছুঁলে আর রক্ষা নেই
পাখি প্রকৃতির এক সুন্দর দান। মানুষ পাখি দেখতে তো ভালবাসেনই, তাদের হাত দিয়ে ছুঁতে পারলেও খুশি হন। কিন্তু এক অপরূপ পাখিকে ছুঁলে আর রক্ষা নেই।
প্রকৃতির বুকে পাখির কলতান, তাদের রংবাহারি রূপ, নীল আকাশের বুকে ডানা মেলা, সবই মানুষের বড় প্রিয়। পাখিদের সঙ্গে সখ্যতা হলে তারা মানুষের কাছেও আসে। পাখিদের হাতে নিতে ভালবাসেন অনেকেই। তাদের ছুঁয়ে দেখে আনন্দ পান।
আর সে পাখি যদি সুন্দর হয় তাহলে তো তাকে ছোঁয়ার একটা ইচ্ছা থেকেই যায়। এমনই একটি পাখি হুডেড পিটোহুই। কালো আর কমলার মিশ্রণে অপরূপ এদের রূপ।
নিউ গিনিতে এই পাখির দেখা পাওয়া যায়। এই সুন্দর পাখিটিকে কিন্তু সেখানকার স্থানীয়রা একেবারেই সহ্য করতে পারেননা। তাঁরা এই পাখিকে ডাকেন রাবিশ বার্ড বা জঞ্জাল পাখি নামে।
কেন এই পাখি ব্রাত্য? হুডেড পিটোহুই হল পৃথিবীর একমাত্র বিষাক্ত পাখি। এই পাখিকে ছুঁলে বা তার পালকে হাত পড়লে আর রক্ষা নেই। যে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে হালকা প্যারালিসিস হতে পারে। শরীর ঝিনঝিন করতে থাকে। শরীর অসাড় লাগতে পারে। স্নায়ুর ওপর এর প্রভাব পড়ে।
হুডেড পিটোহুইদের শরীরে থাকা গরল আদপে তাদের আত্মরক্ষার একটা উপায়। পাখিদের মধ্যে একমাত্র হুডেড পিটোহুই পাখিটির সারা দেহ গরলে ভরা।
তবে তা তারা জন্মানোর সময় নিয়ে জন্মায় না। বরং একধরনের গুবরে পোকা খেয়ে এই পাখিরা নিজেদের দেহে এই গরলের সঞ্চার করে যাতে তাদের কেউ শিকার না করতে পারে। তাদের কেউ ছুঁতে না পারে।

