World

মায়ের দেহ মমি করে রেখেছিলেন মেয়ে, পিছনে অন্য কারণ

মায়ের দেহ মমি করে রেখে দিয়েছিলেন মেয়ে। কত বছর এভাবে রাখা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মমি করার পিছনে রয়েছে অন্য কারণ।

মায়ের বয়স ১০০ পার করে গেছে। ১৯২২ সালে তাঁর জন্ম। তাঁর মেয়ের বয়সই ৮২ বছর। সেই মেয়ে এতদিন বলে এসেছেন তাঁর মা বেঁচে আছেন। কিন্তু মায়ের সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দিতেন না তিনি। মা বেঁচে আছেন এটাই সকলকে বলতেন।

কিন্তু ক্রমে সন্দেহের পারদ চড়তে থাকে। অবশেষে বিষয়টি পৌঁছয় পুলিশের কাছে। পুলিশ তদন্তে নেমে ওই বাড়িতে পৌঁছয়। অবশেষে উদ্ধার হয় মায়ের মমি করে রাখা দেহ।

ওই বৃদ্ধা কবে পরলোকগমন করেছেন তা এখনও পরিস্কার নয়। বেশ কয়েক বছর বলেই মনে করা হচ্ছে। পরীক্ষা করলে তা সঠিকভাবে জানতে পারা যাবে।

মা পরলোকগমন করা সত্ত্বেও কেন তাঁর বৃদ্ধা মেয়ে সেকথা কাউকে জানতে দিলেন না? তদন্তকারীরা মনে করছেন এর পিছনে অন্য কারণ রয়েছে। মায়ের পেনশন যাতে চালু থাকে সে কারণেই মেয়ে তাঁর দেহ সংরক্ষিত করে রেখেছিলেন। তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করেননি।

এই ঘটনা জার্মানি জুড়ে আলোড়ন ফেলেছে। জার্মানির বিল্ড পত্রিকায় এই ঘটনা প্রকাশিত হয়। তারপরই এই ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও তা প্রকাশিত হয়।

পুরো ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। শুধুই কি মায়ের পেনশন ছিল লক্ষ্য, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে চর্চার কারণ হয়ে উঠেছে।

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *