‘তাউতে’-র তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল গুজরাটের অনেক জায়গা। ১৯০ কিলোমিটার গতিতে স্থলভাগে প্রবেশ করে তাউতে। ফলে তার তাণ্ডব যে শিউরে ওঠার মত হবে তা অনুমেয়।
ঝড়ে অগুনতি গাছ উপড়ে পড়েছে। অনেক কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়েছে। পরিস্থিতি এমন হতে পারে এমন ভেবে আগেই গুজরাটের উপকূলীয় এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
২ লক্ষের ওপর মানুষকে সরানো হয়েছিল। প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি।
রাতে স্থলভাগে প্রবেশের পর ঝড়ের অভিমুখ ছিল উত্তর দিকে। তবে খুব দ্রুত ঝড়টি দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে গুজরাট দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করলেও গুজরাটের বড় ক্ষতি করতে পারেনি।
তবে ইলেকট্রিক স্তম্ভ, গাছ, বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। এখনও ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকাজ শুরু হয় দ্রুত গতিতে।
তাউতে গুজরাটের ওপর আছড়ে পড়লেও তার আগে তার ঝাপটায় কার্যত বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্র উপকূল। খোদ মুম্বইয়ে গত রাতে অনেকেই বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছেন।
আদপে আরবসাগরের ওপর এত শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় তৈরি বড় একটা হয়না। যা বঙ্গোপসাগরে হয়। ফলে কোঙ্কণ উপকূলের বাসিন্দাদের সেভাবে এমন তাণ্ডব দেখার অভ্যাস নেই। ফলে আতঙ্কও চরমে ওঠে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা