ধুতি পরে ক্রিকেট, সংস্কৃতে ধারাভাষ্য, নজর কাড়ল এই ক্রিকেট প্রতিযোগিতা
ক্রিকেট প্রতিযোগিতা তো সকলেই দেখেছেন। কিন্তু কোথাও খেলোয়াড়দের ধুতি পরে ক্রিকেট খেলতে দেখা যায়না। ধারাভাষ্য সংস্কৃত ভাষায়ও হয়না।
ভারতে ক্রিকেট খেলা দেশের মানুষের হৃদয়ে বাস করে। তাই ক্রিকেটের জনপ্রিয়তাও প্রশ্নাতীত। ভারতের নানা প্রান্তে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা তো চলতেই থাকে। এমনই একটি ক্রিকেট প্রতিযোগিতা এবার গোটা দেশের নজর কেড়ে নিল।
এমনিতে সাধারণ একটা ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। কিন্তু অসাধারণ দিকটি এই প্রতিযোগিতার দিকে তাকালেই নজরে পড়ে। এই প্রতিযোগিতায় প্রতিটি দলের খেলোয়াড়ই ধুতি ও কুর্তা পরে ক্রিকেট খেলেন। কারও পরনেই কোনও খেলোয়াড়দের পোশাক ছিলনা।
এ প্রতিযোগিতায় যাঁরা ৪ বা ৬ হাঁকাচ্ছিলেন তাঁরা কিন্তু বিশেষ একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত। সেটি হল পূজাঅর্চনা। এঁরা সকলেই বৈদিক মন্ত্র জানেন। যা পুজোয় কাজে লাগে। এঁরা ছাড়া অন্য কাউকে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
তবে যে ২৭টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল তার মধ্যে সংস্কৃত ভাষার ছাত্রদের দল এবং সংস্কৃত ভাষায় পণ্ডিতদের দলও ছিল। খেলা যখনই হয়েছে তখন পিছনে চলেছে ধারাভাষ্য। ধারাভাষ্য হয়েছে সংস্কৃত ভাষায়।
দেশে সংস্কৃত ভাষার প্রসারকে সামনে রেখে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন আয়োজকরা। মধ্যপ্রদেশের ভোপালে অঙ্কুর খেল পরিসর-এ এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সংস্কৃত ভাষার প্রসার ছিল এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সাধারণ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা হলে তা এভাবে নজরে হয়তো পড়ত না। কারণ এমন প্রতিযোগিতা তো দেশের কোণায় কোণায় হচ্ছে। কিন্তু এই প্রতিযোগিতা তার বিশেষ ধরনের জন্য নজর কেড়ে নেয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর দেশবাসীর নজর কেড়েছে এই নতুন ভাবনা।

