টর্নেডো তো অনেকেই চেনেন, এবার দেখা মিলল অতিবিরল স্নোনেডোর
আকাশ থেকে মাটি পর্যন্ত ঘূর্ণি প্রবল গতিতে ছুটতে ছুটতে এগিয়ে আসছে। যা টর্নেডো নামে পরিচিত। দেখেছেনও অনেকে। এবার দেখা গেল অতিবিরল স্নোনেডো।
টর্নেডো সম্বন্ধে একটা ধারনা কমবেশি অনেকেরই রয়েছে। আকাশ থেকে মাটি পর্যন্ত একটা লম্বা ঘূর্ণায়মান প্রবল শক্তিধর ধূলিকুণ্ড মূর্তিমান দানবের মত ছুটে যেতে থাকে মাঠ, ক্ষেত, জনবসতির ওপর দিয়ে।
যেখান দিয়ে যায় সেখানটা তছনছ করে দিয়ে যায়। অনেক সময়ই টর্নেডো ঘর বাড়ি, গাড়ি, পশুপাখিদের ওই ঘূর্ণিতে তুলে নিয়ে আছড়ে ফেলে বহু বহু দূরে কোথাও। এমনই তার শক্তি।
সেই টর্নেডো চোখে দেখে না থাকলেও অনেকে ছবিতে দেখেছেন, ভিডিও দেখেছেন। কিন্তু স্নোনেডো দেখেছেন কি? অনেকের কাছে নামটাই অচেনা। যদি কেউ নামটা শুনে থাকেন তাঁরও এটা দেখার সুযোগ হয়নি। কারণ অতিবিরল এই ঘটনা।
স্নোনেডো হল টর্নেডোর মতই ঘূর্ণায়মান ঝড়। তবে তাতে ধুলোবালি বা জল থাকেনা, থাকে বরফ। শীতের দিনে পাহাড় বা উপত্যকা বা প্রান্তর যখন বরফের পুরু চাদরে ঢাকা পড়ে তখন কদিচ কখনও সেখানে এমন বরফের ঘূর্ণি তৈরি হয়। যা টর্নেডোর মতই আকাশচুম্বী হয়ে থাকে।
এটি ঘুরতে ঘুরতে এগিয়ে যেতে থাকে আপন খেয়ালে। যা ঘুরতে থাকে তা বরফ। যদি সেই বরফের ঘূর্ণিতে কোনও গাছের ডালপালা এসে পড়ে তো সেটাও ঘুরিয়ে আছড়ে ফেলে এই স্নোনেডো।
তবে বরফ পড়লেই যে স্নোনেডো হবে এমনটা নয়। বরং যেসব দেশে প্রচুর তুষারপাত হয় সেখানকার মানুষের কাছেও স্নোনেডো পরিচিত নয়। সম্প্রতি সেই স্নোনেডোর ছবি ক্যামেরাবন্দি করেছেন কলোরাডোর বাসিন্দা এক মহিলা। বরফে ঢাকা পাহাড়ি ঢালে তিনি এই অতিবিরল স্নোনেডোর দেখা পেয়েছেন। সে ছবি এখন সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।













