হাঁসের পেটে প্রচুর সোনা, রাতারাতি বদলে গেল এক ব্যক্তির ভাগ্য
সোনার ডিম পাড়া মুরগির কথা গল্পে শোনা যায়। বাস্তবে হয়না। কিন্তু প্রায় সেটাই তো বাস্তবে হয়ে গেল। মুরগি না হলেও হাঁসের পেটে প্রচুর সোনা পেলেন এক ব্যক্তি।
একটি গ্রাম। কাছ দিয়ে একটি নদী বয়ে গেছে। নদীর ধারে সবুজের সম্ভার। সেই গ্রামেরই একটি পরিবার হাঁস পোষে। অনেকগুলি হাঁস রয়েছে তাদের। তবে হাঁসদের খাওয়ানোর দায়িত্ব তাদের নয়। হাঁসদের ছেড়ে দেওয়া হয় প্রকৃতির মাঝে। তারা নিজেদের খাবার নিজেরাই জোগাড় করে নেয়।
সারাদিন সাঁতার কাটে নদীর জলে। তারপর ফিরে আসে মনিবের কাছে। এভাবেই চলছিল। এরমধ্যে একদিন একটি হাঁস কাটার সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের এক ব্যক্তি।
তিনি একটি হাঁস কাটেন। সেই হাঁসের পেট থেকে কিছু চকচকে বস্তু উদ্ধার হয়। বেশ অনেকগুলি। সন্দেহ হয় ওই ব্যক্তির। তিনি সেগুলি যাচাই করে দেখেন। যাচাই করার পর তিনি বুঝতে পারেন তাঁর সন্দেহই সত্যি। ওগুলো খাঁটি সোনার টুকরো!
হিসাব করে দেখা গেছে ভারতীয় মুদ্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার মত সোনা পাওয়া গিয়েছে ওই হাঁসের পেট থেকে। মনে করা হচ্ছে যখন সে নদীর ধারে খাবার খুঁজে খেয়েছে তখনই সে সোনাও কিছুটা খেয়ে ফেলেছে। যা হয়তো এই মাটির সঙ্গে মিশেছিল।
সে যেভাবেই হাঁস সোনা পেটে পুরে থাকুক না কেন জীবন দিয়ে সে তার মনিবকে রাতারাতি মোটা টাকার মালিক করে গেল। ঘটনাটি ঘটেছে চিনের হুনান প্রদেশের একটি গ্রামে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর অনেক সংবাদমাধ্যমেই এই খবর জায়গা করে নিয়েছে।













