শুকনো মরুভূমি বদলে গেল সবুজ জঙ্গলে, উধাও বালি, অসম্ভবকে সম্ভব করল এই দেশ
প্রাকৃতিক ভাবে মরুভূমি জঙ্গলে বা জঙ্গল মরুভূমি হয়ে যেতে পারে। তবে তার অপেক্ষা না করে এই দেশ তাদের শুকনো মরুভূমিকে বদলে ফেলল জঙ্গলে।
পৃথিবীর যে কয়েকটি ভয়ংকর মরুভূমির কথা উল্লেখ করা হয়, তার একটি অবশ্যই তাকলামাকান। ভয়ংকর শুকনো তাকলামাকান মরুভূমিতে শুধুই বালির ধুধু প্রান্তর দেখতে পাওয়া যেত। কিন্তু সেই শুকনো রুক্ষ মরুভূমি অনেকটাই বদলে গেল। প্রাকৃতিক ভাবে নয়। মানুষের চেষ্টায়।
চিনের ভয়ংকর মরুভূমি তাকলামাকানের এখন অনেকটা জঙ্গল। সবুজে ভরা জঙ্গল। গাছে গাছে ভরা সে এলাকা। দেখে বোঝার উপায় নেই এটা কয়েক বছর আগেও শুধু শুকনো বালির প্রান্তর ছিল।
১৯৭৮ সাল থেকে চিন তাদের মরুভূমিকে আরও ছড়িয়ে পড়া থেকে আটকানোর পরিকল্পনা করে। সেইমত কাজ শুরু হয়। আর তার ফল ২০২৪ সালে এসে পায় তারা।
তাকলামাকানের মত ভয়ংকর মরুভূমির ৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি এলাকা জুড়ে এখন বালি নয়, ছড়িয়ে আছে সবুজ গাছগাছালি। দেখে বোঝার উপায় নেই এখানেই কিছু বছর আগেও শুকনো মরুভূমি ছড়িয়ে ছিল। একে গ্রেট গ্রিন ওয়াল বলে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
তাকলামাকান মরুভূমিকে চারধার থেকে সবুজ অরণ্য দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। লক্ষ লক্ষ গাছ রোপণ করে এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে চিন।
এদিকে এই সবুজে ভরা বিশাল এলাকা তৈরি হওয়ার পর এখানে কার্বন ডাই অক্সাইডের দাপট কমেছে। যা অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। মরুভূমিকে জঙ্গলে পরিণত করার এই পন্থা কিন্তু আগামী দিনে বিশ্বজুড়ে মরুভূমির প্রসার রোধের একটা পথ খুলে দিল।













