মুরগি নিয়ে সর্বত্র ঘুরে বেড়ান এক অধ্যাপক, কারণটা অবাক করার মত
একটাই কারণ। শুনলে অবাক হয়ে যাবেন অনেকেই। কিন্তু একটিমাত্র কারণে এক মুরগিকে সঙ্গে নিয়ে সর্বত্র ঘুরে বেড়ান ওই মহিলা অধ্যাপক।
তিনি যেখানেই যান সঙ্গে তাঁর মুরগিটি থাকে। মুরগিটির নাম স্যাটারডে। মানে শনিবার। স্যাটারডে নামকরণ করার কারণ ওই মুরগিটিকে একটি খামার থেকে তিনি নিয়েছিলেন শনিবারে। তিনি মানে এক মহিলা অধ্যাপক।
তিনি ওই মুরগিটি দত্তক নেওয়ার পর তার সঙ্গে একটা গভীর যোগ তৈরি করেন। যেখানেই যান সঙ্গে তাঁর স্যাটারডে ঠিক থাকে। মুরগি তো আর জায়গা বুঝে তার প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়না।
তাই বিভিন্ন জায়গায় সঙ্গে থাকা স্যাটারডের জন্য যাতে তাঁকে অপ্রস্তুত হতে না হয় সেজন্য ওই অধ্যাপক একটি বিশেষ ধরনের ডায়াপারও পরানো শুরু করেছেন তাঁর প্রিয় মুরগিকে।
অনেকেই বুঝে উঠতে পারেননা কেন একটা মুরগি নিয়ে সর্বত্র ঘুরে বেড়ান তিনি! এর পিছনে রয়েছে গভীর কারণ। কানাডার নর্দার্ন ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সোনিয়া কং। তাঁর দাবি, তাঁর প্রতিটি আবেগ ও অনুভূতি বুঝতে পারে তাঁর মুরগি।
তিনি যখন কাঁদেন তখন তাঁর সামনে এসে চুপ করে বসে পড়ে স্যাটারডে। তারপর তাঁর দিকে চেয়ে থাকে। যেন বোঝার চেষ্টা করে কষ্টটা কোথায়! তাঁকে খুব ভাল বুঝতে পারে তাঁর মুরগি বলে মনে করেন ওই সাইকোলজি-র অধ্যাপক।
কং অধ্যাপনার পাশাপাশি একটি গবেষণাও চালাচ্ছেন। তাঁর বিষয় হল মানুষের সঙ্গে তার পোষ্যের সম্পর্ক। পোষ্য প্রাণির সঙ্গে একজন মানুষের যে সম্পর্কের গভীরতা তৈরি হয় এবং তা যেভাবে ওই মানুষটিকে আরও সুন্দরভাবে জীবন কাটাতে সাহায্য করে তার উপরই গবেষণার কাজ চালাচ্ছেন ওই অধ্যাপক। নিউ ইয়র্ক পোস্ট সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর খবরটি অনেক পাঠককেই অবাক করেছে।













