চকোলেট নদী রয়েছে এই পৃথিবীতে, বয়ে গেছে অনেকটা পথ
নদী যেমন বয়ে চলে আপন মর্জিতে, তেমনই বয়ে গেছে এই নদী। যাকে সকলে চকোলেট নদী নামেই চেনেন। পিছনে কারণ তো অবশ্যই রয়েছে।
চকোলেট খেতে কার না ভাল লাগে। রূপকথার গল্পে চকোলেটের বাড়ির কথা অনেকেই পড়েছেন। ভেবেছেন সত্যিই যদি এমন হত! চকোলেটের তৈরি সেই রূপকথার বাড়ি আছে কিনা জানা নেই, তবে পৃথিবীর বুক দিয়ে বয়ে গেছে চকোলেট নদী।
গলিত চকোলেট যদি নদীর মত বয়ে যায় তাহলে যেমন লাগে ঠিক তেমনই তার রূপ। আশ্চর্য এই নদীটি কিন্তু আর পাঁচটা নদীর মতই। তবে এর বিশেষত্ব হল এক গাঢ় খয়েরি রংয়ের জল। যার ওপর যখন সূর্যের আলো পড়ে তখন মনে হয় সত্যিই যেন একটি গলিত চকোলেটের নদী বয়ে যাচ্ছে।
এমন গাঢ় খয়েরি রংয়ের নদীর জল হয় কীভাবে? বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, সত্যিই চকোলেট নয়, বরং মাটি, খনিজ উপাদান এবং জৈব পদার্থ নদীটির জলের সঙ্গে মিশে এই রং তৈরি হয়।
কানাডার পেটিকোডিয়াক নদীকে এই নামে খুব কম মানুষই চেনেন। তার চেয়ে অনেক বেশি মানুষের কাছে এটি চকোলেট নদী। নদীর জলের রং চকোলেট হওয়ার পিছনে কারণ রয়েছে।
এই নদীটির আশপাশের জমিতে লাল বেলেমাটি ও সাধারণ মাটির উপস্থিতি নজর কাড়া। এই নদীটিতে আবার দিনে ২ বার করে যে জোয়ার আসে তা বেশ বড় হয়। নদীর ২ ধার সে সময় জলে ভরে যায়।
এই জোয়ারের জল নদীর ২ পাড়ের মাটি সে সময় নিয়ে জলের সঙ্গে গুলে দেয়। ফলে জলের রং গাঢ় খয়েরি হয়ে ওঠে। নিয়মিত হতে থাকায় এটাই এখন এই নদীর জলের রং হয়ে গেছে।













