Business

কম দামে বিক্রি হচ্ছে আম, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির জের আমের বাজারেও

পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি সরাসরি প্রভাব ফেলেছে ভারতের আমের বাজারে। যা আবার ভারতের একাংশের বাজারে আমের দাম তলানিতে এনে ফেলেছে।

ভারতে নানা প্রজাতির আম হয়। সব আমের ফলনের সময় এক নয়। মোটামুটি মার্চ থেকে আমের বাজার ভারতে শুরু হয়ে যায়। বাংলায় ওই সময় পাকা আমের দেখা তেমন পাওয়া না গেলেও, দক্ষিণ ভারতের বাজারে আম যথেষ্টই এসে পড়ে। ক্রমে তা বাড়তে থাকে।

দক্ষিণ ভারত থেকে একটা বড় পরিমাণ আম রফতানি হয় পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। দুবাই, শারজা বা আবুধাবি ভারতীয় আমে ভরে যায়। ফলে মোটা অঙ্কের মুনাফা ঘরে তুলতে পারেন ব্যবসায়ীরা। এবার সেই আম রফতানি তলানিতে এসে ঠেকেছে।

পশ্চিম এশিয়ার সঙ্গে বিমান চলাচলের সমস্যা থেকে শুরু করে সেখানকার পরিস্থিতি, সব মিলিয়ে আমের রফতানি প্রায় নেই বললেই চলে। যেখানে প্রতিবছর মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত দৈনিক প্রায় ৬০ টন আম পশ্চিম এশিয়ায় রফতানি হয়, সেখানে এবার তা ৫ টনে এসে ঠেকেছে।

রফতানি তলানিতে ঠেকায় আম সাধারণ বাজারে প্রচুর। আম বেশিদিন ভাল অবস্থায় রাখা বেশ মুশকিল। দ্রুত পচন ধরে আমে। তাই তা ধরে রাখতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় বাজারে ছেড়ে দিতে হচ্ছে। সেখানে অনেক কম দামে ছেড়ে দিতে হচ্ছে রফতানির জন্য রাখা আম।

রফতানির জন্য বিখ্যাত কোয়েম্বাটুর। সেখানেই এখন বাজার ছেয়ে গেছে আমে। আলফানসো আম যা ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়, তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে। বেগুনফুলি যা ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয় তা নেমেছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে।

সিন্ধুরা আম যা ১৫০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হয় তার দাম পড়ে হয়েছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। ইমাম পসন্দ আমের দাম ২০০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি থাকে। তা নেমে হয়েছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি। তোতাপুরি আমের দাম তো তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তোতাপুরি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে।

এতে স্থানীয় মানুষ আম কম দামে পাচ্ছেন। এদিকে আমের দাম কমিয়েও সব আম বিক্রি করে ওঠা যাচ্ছেনা। ফলে আর্থিক ক্ষতি বড় ধাক্কা দিয়েছে আম ব্যবসায়ীদের। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা

Show Full Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *