গ্যাসের অপ্রতুলতায় বিদ্যুৎ খরচ বাড়তে চলেছে প্রায় ২৭ গিগাওয়াট
গ্যাস নিয়ে চিন্তা মিটছে না। মানুষ কয়েক মাস আগে যেভাবে নিয়মিত গ্যাস পাচ্ছিলেন তা না পাওয়ায় এবার বিদ্যুৎ খরচ নতুন চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে।
গ্যাস চাইলেই কয়েক দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে সেই পরিস্থিতি যে নেই সেটা তো পরিস্কার। যদিও সরকার বারবারই আশ্বাস দিচ্ছে রান্নার গ্যাসের সমস্যা নেই, কিন্তু বাস্তব অন্য কথাই বলছে।
শহরে গ্যাসের বুকিং এখন চাইলেই করা যাচ্ছেনা। গ্যাস পেতে সময় অনেক লেগে যাচ্ছে। পরিস্থিতি যে আরও খারাপ হতে পারে এমন আশঙ্কাও মানুষের মনে উঁকি দিচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে অনেক পরিবারই রান্নার জন্য আর শুধুমাত্র এলপিজি-র ওপর ভরসা না রেখে ইন্ডাকশন ওভেনের দিকে ঝুঁকেছে। ইন্ডাকশন চলছে বিদ্যুতে। ফলে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ছে। আর তা এতটাই যে তা চিন্তায় ফেলেছে।
ব্যুরো অফ এনার্জি এফিসিয়েন্সি-র ডিরেক্টর জেনারেল কৃষ্ণচন্দ্র পাণিগ্রাহী এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন শুধু ইন্ডাকশন ওভেন ব্যবহার যেভাবে বাড়ছে তাতে ভারতের মোট বিদ্যুৎ খরচে আরও ১৩ থেকে ২৭ গিগাওয়াট অতিরিক্ত খরচ যুক্ত হওয়ার জন্য তৈরি থাকতে হবে।
এই বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ বিদ্যুৎ বণ্টনে নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। চাপ বাড়বে বিদ্যুতের চাহিদার। যা যোগান দিতে হবে আগামী দিনে।
দেশের শক্তি মন্ত্রক জানাচ্ছে, এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে ভারত ২২ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ নতুন করে যুক্ত করতে চলেছে। এরমধ্যে ৩.৫ গিগাওয়াট আসবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে। ১০ গিগাওয়াট আসবে সৌরবিদ্যুৎ থেকে। ২.৫ গিগাওয়াট আসবে উইন্ড মিল ব্যাবহার করে হাওয়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। ১.৯ গিগাওয়াট আসবে ব্যাটারি থেকে এবং ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













