ভারতে এই প্রথম অভিনব উপায়ে পাওয়া যাবে সামুদ্রিক মাছ, নীল অর্থনীতিতে আসবে জোয়ার
নীল অর্থনীতিকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে এবার সামুদ্রিক মাছের জন্য অভিনব পন্থার পথে হাঁটা শুরু করল ভারত। এই প্রথম এভাবে পাওয়া যাবে সমুদ্রের মাছ।
সমুদ্রের মাছ তো অনেকেই খেয়েছেন। ভারতের বিভিন্ন জায়গা থেকে সমুদ্রে ভেসে পড়েন মৎস্যজীবীরা। ট্রলার থেকে নৌকা ভাসিয়ে সমুদ্রের গভীরে পৌঁছে সেখানে দিনের পর দিন কাটিয়ে দেন মাছ ধরার জন্য। তারপর সেই মাছ ধরে ফিরে আসেন ডাঙায়।
এভাবে মৎস্য চাষ তো সমুদ্রে বহুকাল ধরেই চলে আসছে। ভারতের বহু মানুষ এই জীবিকার সঙ্গে যুক্ত। তবে এবার তাঁদের অন্য পথে সমুদ্রের মাছ পাওয়ার ব্যবস্থা করল কেন্দ্র। এই প্রথম ভারতে শুরু হল মেরিন ফিশ ফার্মিং বা সমুদ্রে মৎস্য চাষ। যার উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় ভূবিজ্ঞান মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং।
আন্দামানের শ্রী বিজয় পুরমের কাছে নর্থ বে-তে আন্দামান সাগরে এই অভিনব প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। এরফলে ভারতে নীল অর্থনীতির এক নতুন যুগের সূচনা হল। যা আগামী দিনে ভারতের মধ্যে থাকা সমুদ্র অর্থনীতিকে এক অন্যই উচ্চতা দেবে।
মেরিন ফিশ ফার্মিং বা সমুদ্রে মৎস্য চাষ হল সমুদ্রের মধ্যেই জালের ঘেরাটোপ তৈরি করে সেখানে মাছ চাষ। এরফলে মাছগুলি সমুদ্রের জলেই বড় হবে। সমুদ্রের জলের প্রাকৃতিক পরিবেশ পাবে তারা। তাদের চেনা পরিবেশ। ফলে তাদের বেড়ে ওঠাও স্বাভাবিক হবে।
তবে তারা সমুদ্রের যেখানে খুশি যেতে পারবেনা। জাল থাকায় জাল যত পর্যন্ত থাকবে, তারমধ্যেই তাদের ঘুরতে হবে। এতে মাছ বড় হলে তা ধরতেও সুবিধা হবে মৎস্যজীবীদের। আবার মাছগুলিকে সমুদ্রের জলেই বড় করতেও সুবিধা হবে।
এই প্রকল্পের সূচনা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মাছের চারাও তুলে দেন মৎস্যজীবীদের হাতে। এতে তাঁদের মৎস্য চাষ গতি পাবে। সহজে প্রচুর মাছ পাবেন তাঁরা। যা তাঁদের রোজগারও বাড়াবে। সেই সঙ্গে সমুদ্রের তলায় জন্ম নেওয়া সামুদ্রিক উদ্ভিদ সংগ্রহেও জোর দেন মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা













