ট্রাম্পের জিদে সমস্যার মুখে বেনারসি শাড়ি
বিয়ের অন্যতম অঙ্গ বেনারসি শাড়ি। এছাড়াও অনেক মহিলাই বেনারসি শাড়ি পরতে পছন্দ করেন। সেই বেনারসি শাড়ি এবার ট্রাম্পের জিদের জন্য সমস্যার মুখে।

যা অর্ডার অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছিল তা সম্পূর্ণ হওয়ার পর এখন অর্ডার বাতিল করা হয়েছে। যা পাঠানো হয়েছিল তা ফিরিয়ে দিয়েছে। বেনারসি কাপড় তৈরি করিয়ে তারপর এখন আর কিনছে না।
হিসাব বলছে মোট ক্ষতির পরিমাণ পৌঁছে যাবে ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকায়। যা অবশ্যই বেনারসি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের রুটিরুজির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এমনই মত বেনারসি কাপড় প্রস্তুতের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যবসায়ীর।
কারণ একটাই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বসানো ট্যারিফ। যা ভারতের জন্য প্রথমে ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে এখন ৫০ শতাংশে ঠেকেছে। যদিও অর্থনীতিবিদরা অনেকেই এটা মানতে নারাজ যে এতে ভারতের ওপর খুব বেশি প্রভাব পড়বে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাংশের অর্থনীতিবিদ থেকে অনেক বিশেষজ্ঞ ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে অখুশি। ভারতের ওপর এভাবে ট্যারিফ বসানোকে ট্রাম্পের জিদ বলেই মনে করছেন তাঁরা। এতে প্রভাবিত হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। তবে সেই ট্যারিফ ভারতের বেনারসি শিল্পে প্রভাব ফেলেছে।
বেনারসি কাপড়ের একটা বড় বাজার রয়েছে আমেরিকায়। প্রতি বছর ২০০ থেকে ৩০০ কোটি টাকার বেনারসি কাপড় আমেরিকায় রফতানি হয়। যা বেনারসি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত অনেক শিল্পীর রুটিরুজির যোগান দেয়।
সেটা বন্ধ হয়ে গেল বলেই মনে করছেন বেনারসি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বেনারসির কারিগরদের ওপর। একের পর এক অর্ডার বাতিল হচ্ছে। জিনিস তৈরি করে এখন তা কোথায় বেচবেন বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা।
যা রফতানি করা হয়েছিল সেগুলিও ফেরত আসছে। বেনারসি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা ক্ষতি সামাল দিতে হস্তশিল্পজাত সামগ্রিগুলিকে জিএসটি-র আওতার বাইরে রাখার দাবি তুলেছেন। — সংবাদ সংস্থার সাহায্য নিয়ে লেখা