ভারতে ঘি, মাখন এমন ২টি দুগ্ধজাত দ্রব্য যার চাহিদা যথেষ্ট। শ্রীকৃষ্ণের শৈশবের কাহিনিতেও মাখনের উল্লেখ পাওয়া যায়। ভারতে যে বহু প্রাচীনকাল থেকেই দুধ থেকে মাখন ও ঘি উৎপাদনের রীতি ছিল, বাড়িতেই তা দুগ্ধ মন্থনের মাধ্যমে তৈরি করা হত সে কাহিনিও অনেকের জানা।
মাখন ভক্ত সেই ভারতে এমন একটি শহর রয়েছে যাকে বলা হয় ভারতের মাখনের রাজধানী। এ শহরের মাখন তার অনন্য স্বাদ ও প্রাচীন উৎপাদন পদ্ধতির জন্য প্রসিদ্ধ। ওই শহরের নামে একধরনের মাখনও রয়েছে।
পশ্চিম বা উত্তর ভারত নয়, তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার উথুকুলি নামে একটি শহরকে ডাকা হয় ভারতের মাখনের রাজধানী নামে। এখানে মাখন একটা ঐতিহ্য। একটা প্রাচীন পরম্পরা।
কেবল ফ্রিজে রাখা এবং সকালে প্রাতরাশে খাওয়ার সাধারণ মাখন নয়। উথুকুলিতে এখনও মাখন তৈরি হয় প্রাচীন দুগ্ধ মন্থন পদ্ধতি মেনে। ফলে এখানকার মাখনের স্বাদ অন্যরকম। তার একটি নিজস্ব পরিচয় রয়েছে।
উথুকুলি মাখন বলে আলাদা একধরনের মাখন রয়েছে। দুধ ফুটিয়ে তার থেকে ক্রিম তুলে নিয়ে তাকে কাঠের একটি দণ্ডের সাহায্যে প্রাচীন পদ্ধতি মেনে মন্থন করে এই মাখন তৈরি করা হয়। যা অনেকটাই নরম হয়। রং একটু আলাদা।
সাধারণত দোকানে যে মাখন পাওয়া যায় তা কারখানায় প্রচুর পরিমাণে যন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত হয়। উথুকুলিতে মাখন তৈরি হয় কম পরিমাণে। যাতে এর উৎপাদন পদ্ধতির সঙ্গে কোনও আপোস না করতে হয়।