কোন রাজ্যকে ভাতের রাজধানীর মর্যাদা দেওয়া হয়, নামটা বাঙালিকে গর্বিত করবে
দেশের অধিকাংশ রাজ্যেই ভাত খাওয়ার চল রয়েছে। অনেক মানুষই ভাতের ভক্ত। তবে একটি রাজ্যকেই বলা হয় ভাতের রাজধানী। নামটা অতি সহজ।
ভারত এমন একটা দেশ যেখানে অধিকাংশ জায়গায় মানুষ ভাত খান। এটা ঠিক যে সব জায়গার ভাতের ধরন এক হয়না। চালের প্রকারভেদে এবং সেই এলাকায় হওয়া চালের কারণে ভাতের ধরনে বিভিন্নতা থাকতে পারে। তবে দিনের শেষে সেটা ভাতই। অন্যকিছু নয়।
যেমন কোথাও চাল একটু মোটা হয়, কোথাও সরু, কোথাও লালচে, কোথাও একটু বাদামি এবং এমন নানা ধরন রয়েছে। ভারতে আবার চালের উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ অন্যতম।
ভারতের ৪টি রাজ্যে সবচেয়ে বেশি চাল হয়। যে ৪টি রাজ্য হল পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ এবং পঞ্জাব। এছাড়া অসম, ওড়িশা, বিহার, মধ্যপ্রদেশের মত বেশ কয়েকটি রাজ্যে চাল উৎপাদন হয়ে থাকে।
চাল যেখানেই হোক না কেন, ভাত ভারতীয়দের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, যেখানেই যাওয়া যায় ভাত পাওয়া যায়।
বাঙালি জীবন তো ভাত ছাড়া ভাবাই যায়না। তাই ভারতের অধিকাংশ রাজ্যেই ভাত খাওয়ার প্রবণতা চোখে পড়ার মত হলেও ভাতের রাজধানী বলা হয় পশ্চিমবঙ্গকেই। আসলে চাল বাঙালির কেবল খাবার নয়, তা বাংলার সংস্কৃতির এক অভিন্ন অংশ। যা ছাড়া বঙ্গ জীবন অসম্পূর্ণ।
নবান্নের উৎসব হোক বা ভোগের পায়েস, ঈশ্বরকে নিবেদনে অন্নভোগ হোক বা উৎসব পার্বণে ভাতের নানা পদ, বঙ্গ জীবনে ভাতকে দৈনন্দিন খাবার পাত ছাড়াও নানা রূপে খুঁজে পাওয়া যায়। খিচুড়ি থেকে পোলাও, ঝোল ভাত হোক বা ডাল ভাত, বাঙালির জীবনের প্রতিটি পদে তার সাথে জড়িয়ে থাকে ভাত।













