এটাই ভারতের শেষ রাস্তা, যা শেষ পর্যন্ত সমুদ্রে ডুব দিয়েছে
ভারতের শেষ রাস্তা কোনটা যদি জিজ্ঞেস করা হয় তাহলে সেই রাস্তার কথা বলতে হবে যা শেষ পর্যন্ত সমুদ্রে ডুব দেয়।
ভারত জুড়ে রাস্তার অভাব নেই। ছোট, বড়, মাঝারি মিলিয়ে রাস্তা গুনে শেষ করা যাবেনা। কিন্তু তার মধ্যে একটি এমন রাস্তা রয়েছে যা কোথাও সকলের চেয়ে আলাদা। কারণ সেটি এদেশের শেষ রাস্তা।
দেশের শেষ রাস্তা! শুনে একটু অবাক লাগতেই পারে। তবে দেশের শেষ রাস্তা রয়েছে। যা একটা প্রান্তে পৌঁছে সমুদ্রে ডুব দিয়েছে। রাস্তাটি সোজা চলে গেছে সমুদ্রের দিকে।
দেখে মনে হবে যেন সমুদ্র ছুঁতেই সে পথ এগিয়ে চলেছে। যার ২ ধারেও সমুদ্রের জল খেলা করছে। সমুদ্রের বুক চিরে সে পথ সমুদ্রেই গিয়ে মিশেছে।
আরিচাল মুনাই নামটা হয়তো সকলের পরিচিত নয়। তবে এটিই ভারতের মূল ভূখণ্ডের অন্তিম বিন্দু, যেখান থেকে সমুদ্র শুরু। এই জায়গায় কেউ যদি পৌঁছতে চান তাহলে তাঁকে ৮৭ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে এগিয়ে যেতে হবে।
৮৭ নম্বর জাতীয় সড়ক মানে যে পথ রামেশ্বরম থেকে ধনুষ্কোটি পর্যন্ত চলে গিয়েছে। এই রাস্তাকেই ভারতের শেষ রাস্তা বলা হয়। যা আরিচাল মুনাই বিন্দুতে পৌঁছে দেয়। যার পর আর স্থল নেই। শুধুই অনন্ত সাগর।
উপকূল ধরে এই সোজা রাস্তাটির একদিকে বঙ্গোপসাগর। অন্যদিকে ভারত মহাসাগর। বড় আশ্চর্য এই পথ ধরে এগিয়ে চলা। এ এক অন্যই অভিজ্ঞতা। যার শেষ প্রান্তে পৌঁছে ভাল করে নজর করলে সাগরের অন্য পারে শ্রীলঙ্কাকে একটা আবছা রেখার মত দেখতে পাওয়া যায়।
এটাও একটা আশ্চর্য অভিজ্ঞতা। এ রাস্তা প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরা হলেও এ পথের আশপাশে কোনও জনবসতির দেখা পাওয়া যায়না। তামিলনাড়ুতে রয়েছে ভারতের এই শেষ রাস্তা।













