পশ্চিমবঙ্গের কাছেই রয়েছে ভারতের সোনার পাহাড়, পাহাড়টাও খুব চেনা
এ রাজ্যের মানুষের কাছে এ পাহাড়ের নাগাল পাওয়া খুব সহজ। এটাই ভারতের সোনার পাহাড়। গোল্ডেন মাউন্টেন অফ ইন্ডিয়া। পৃথিবীর সকলেও এ পাহাড়কে একডাকে চেনে।
ভারতের সোনার পাহাড়। নামের মধ্যেই বোধহয় লুকিয়ে আছে ইঙ্গিত। তবে তার আগে এটা বলে রাখা ভাল যে এ পাহাড়ের বয়স খুব বেশি নয়। মাত্র ৫ কোটি বছর। ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষ জন্ম দেয় এই পাহাড়ের।
এ পাহাড় ভারতের সোনার পাহাড় হলেও এখানে সোনা পাওয়া যায় এমনটা নয়। অনেকটা সত্যজিৎ রায়ের সোনার কেল্লার মত ব্যাপার। এই পাহাড়ে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দেখতে মানুষের ঢল নামে।
এইসময় অপূর্ব সোনালি রূপ ধরে এ পাহাড়। পাহাড়ের গায়ে লেপ্টে থাকা বরফের আস্তরণে সূর্যের আলো পড়লে মনে হয় যেন সোনা গলে পড়ছে। এজন্যই এ পাহাড়ের নাম সোনার পাহাড়।
পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পাহাড় এটি। উচ্চতা ২৮ হাজার ১৬৯ ফুট। সিকিম ও নেপালের সীমানায় অবস্থিত এই পাহাড়টি খুবই চেনা। বাঙালির কাছে এ পাহাড়ের টান অন্যই।
দার্জিলিং গেলে এই পাহাড়ের রূপ উপভোগ করতে চান সকলেই। সেই কাঞ্চনজঙ্ঘা হল ভারতের সোনার পাহাড়। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত তো বটেই, বিদেশি পর্যটকেরাও কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে হাজির হন।
স্থানীয়রা অবশ্য একে কাঞ্চনজঙ্ঘা নামে ডাকেন না। তাঁদের কাছে এ পাহাড় হল সেওয়া লুঙ্গমা। আবার কাঞ্চনজঙ্ঘাকে ঘুমন্ত বুদ্ধ বা স্লিপিং বুদ্ধও বলা হয়। ৫টি ছোট বড় পাহাড় আশপাশে নিয়ে এই কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখতে অনেকটা ঘুমিয়ে থাকা ভগবান বুদ্ধের মত।













